তাসকিনের প্রথম টেস্ট উইকেট
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের করা বড় সংগ্রহ তাড়া করতে গিয়ে সতর্ক সূচনা করে নিউজিল্যান্ড। উদ্বোধনী জুটিতে জিত রাভাল ও টম ল্যাথাম অবিচ্ছিন্ন থেকে দলীয় স্কোরে যোগ করেন ৫৪ রান। আশা জাগাচ্ছিলেন আরো বড় সংগ্রহের। ঠিক সেই সময়ে ব্রেক থ্রু এনে দিলেন কামরুল ইসলাম রাব্বি। তাঁর বলে ইমরুল কায়েসের তালুবন্দি হলেন রাভাল। নিউজিল্যান্ড শিবিরে লাগল প্রথম ধাক্কা।
তিন নম্বরে নেমে উইলিয়ামসন স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন কিউইদের। ল্যাথামকে সঙ্গে নিয়ে মজবুত জুটি গড়েন তিনি। তবে ব্যক্তিগত ৫৩ রানের মাথায় উইলিয়ামসনকে নিজের শিকার বানালেন তাসকিন। তাঁর একটি দুর্দান্ত বলে স্লিপে ইমরুলের কায়েসের হাতে ধরা পড়েন উইলিয়ামসন। নিউজিল্যান্ডের রান তখন দুই উইকেট হারিয়ে ১৩১।
চতুর্থ উইকেটে অবশ্য আবারও জুটি গড়ার চেষ্টা করছেন রস টেলর ও ল্যাথাম। টেলর মারকুটে ব্যাটিং করে এরই মধ্যে করেছেন ২৮ রান। তাঁর সঙ্গে ৬০ রানে অপরাজিত আছেন ল্যাথাম।
শুক্রবার ওয়েলিংটনে ঘটনাবহুল একটি দিন পার করেছিল বাংলাদেশ। বেশ কিছু অর্জনের মধ্য দিয়ে সাকিব-মুশফিকরা নিজেদের ঝুলিটাকেও সমৃদ্ধ করেছিল। শনিবার ম্যাচের তৃতীয় দিনে বেশ সতর্কভাবেই শুরু করেছিলেন তাঁরা।
সকালে পেসার তাসকিন আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে সাব্বির রহমান বেশ স্বাচ্ছন্দেই খেলে যাচ্ছিলেন নিউজিল্যান্ড বোলারদের। কিন্তু ১৪৪তম ওভারে তাসকিন ফিরে যান ব্যক্তিগত ৩ রানের মাথায়। তারপরও সাব্বির সাবলীলভাবে খেলে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন। তিনি ৮৬ বলে ৫৪ রান করেন। তাঁকে যোগ্য সাপোর্ট দিয়ে পেসার কামরুল ইসলাম রাব্বি ৬ রান করেন ২১ বল খরচায়। সাব্বিরের হাফ সেঞ্চুরির পর বাংলাদেশ ইনিংস ঘোষণা করে ৫৯৫ রানে। ১৫২ ওভার খেলে আট উইকেট হারিয়ে এই রান করে তারা।
এরআগে ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে সাকিব আল হাসানের ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি এবং মুশফিকের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ। সাকিব করেছিলেন ২১৭ এবং মুশফিক ১৫৯ রান। সেই সুবাদে সাত উইকেট ৫৪২ রান করে দিন পার করছিল বাংলাদেশ। তৃতীয় দিনে ৫৩ রান যোগ করে মুশফিক বাহিনী।
টেস্টে এক ইনিংসে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ৬৩৮ রান। ২০১৩ সালে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে রান করেছিল তারা। এবার সেই রানকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও বাংলাদেশ ইংনিস ঘোষণা করে ফেলায় সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যায়।
No comments:
Post a Comment