রহস্যময় গাছের ফল নারীদেহ!
বিভিন্ন ধরনের গাছে বিভিন্ন বিচিত্র আকৃতির ফল ধরার কথা শোনা যায় নানা সময়ে। কিন্তু একটি গাছের সমস্ত ফলই একেবারে নারীদেহের আকৃতির, এমনটাও কি হতে পারে! হ্যাঁ, পারে। অন্তত নেট দুনিয়ায় ব্যাপক প্রচার পাওয়া একটি ভিডিও-এ সে রকমই দাবি করা হচ্ছে।
বিগত কয়েক মাস ধরে ইউটিউব এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও। ভিডিও-র মূলে রয়েছে একটি বিশেষ ধরনের গাছ, যে গাছে নাকি ফলের আকারে ফলে ওঠে নারীদেহ। এই গাছের অবস্থান তাইল্যান্ডে। তাইল্যান্ডের হিমাফন অরণ্যে বড় হওয়া এই গাছের স্থানীয় নাম ‘নারীফন’। এর ডালে ডালে ধরে বিচিত্র ফল, যার প্রতিটিই একেবারে নারী-শরীরের মতো দেখতে।
কিন্তু একটি গাছে এমন অদ্ভুত ফল ফলে কী ভাবে? দাবি করা হচ্ছে, এই গাছের সঙ্গে যোগ রয়েছে এক বৌদ্ধ কিংবদন্তির। এই কিংবদন্তি অনুসারে, এক বার বৌদ্ধ দেবতা ইন্দ্র স্ত্রী বিষাণতারা এবং দুই সন্তানকে নিয়ে ঘর বাঁধেন হিমাফন অরণ্যের গভীরে। সেখানেই এক দিন বিষাণতারাকে অরণ্যে যেতে হবে খাদ্য সংগ্রহের জন্য, কিন্তু তার আশঙ্কা, অরণ্যের নারীলোলুপ রাক্ষসেরা তাকে আক্রমণ করতে পারে। স্ত্রী-কে ভয়মুক্ত করতে ইন্দ্র তখন তার বিশেষ শক্তিবলে তৈরি করলেন এক বিশেষ গাছ, যে গাছের ফলগুলিই হল তার স্ত্রী-র দেহের মতো। রাক্ষসেরা বিষাণতারা ভেবে গাছ থেকে পেড়ে বাড়ি নিয়ে যায় ওই ফলগুলিই। সেগুলির সঙ্গেই সঙ্গম করে রাক্ষসেরা চার মাস ধরে ঘুমোয়, এবং এই প্রক্রিয়ায় তাদের শক্তিও অনেকখানি হ্রাস পায়।
বলা হয়, ইন্দ্র মোট ১২টি নারীফন গাছ নির্মাণ করেছিলেন। সেই সমস্ত গাছ এখনও জীবিত রয়েছে, এবং যথারীতি ওই বিচিত্র আকৃতির ফল ধারণ করে চলেছে। নেটে প্রচার হওয়া ওই ভিডিও-এ দাবি করা হয়, এই গাছগুলি আসলে ওই প্রাচীন নারীফন গাছেরই বর্তমান রূপ। এবং এখনও কোনও কামাতুর পুরুষ যদি এই নারীদেহাকৃতি ফলের সঙ্গে সঙ্গম করে, তা হলে তারও পৌরুষত্ব কমে যায়।
কিন্তু এই সমস্ত দাবির কতটা সত্য? আপাতদৃষ্টিতে এই ভিডিও-র মধ্যে ভুয়ো কিছু আছে বলে মনে হয় না। সেই কারণেই ইউটিউব-এ আপলোড হওয়ার পরে অতি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে ফেলে ভিডিও-টি। কিন্তু নেটবাজদের একটা অংশ কোনও কিছুকেই এত সহজে সত্য বলে মেনে নিতে পারেন না। তারা ভিডিও-টির সত্যাসত্য যাচাই করার জন্য উঠেপড়ে লাগেন। খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, পুরো গল্পটাই ভুয়ো। কিংবদন্তিকে মান্যতা দিতে পরিকল্পিত ভাবেই এই লোক-ঠকানো ভিডিও বানানো হয়। ফলের আকারে কিছু পুতুল তৈরি করে গাছে ঝুলিয়ে দিয়ে তৈরি করা হয় এই ভিডিও। তার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয় কিংবদন্তির কাহিনি। আদপে এমন কোনও গাছ শুধু তাইল্যান্ড কেন, পৃথিবীর কোথাও নেই।
কিন্তু এই সমস্ত দাবির কতটা সত্য? আপাতদৃষ্টিতে এই ভিডিও-র মধ্যে ভুয়ো কিছু আছে বলে মনে হয় না। সেই কারণেই ইউটিউব-এ আপলোড হওয়ার পরে অতি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে ফেলে ভিডিও-টি। কিন্তু নেটবাজদের একটা অংশ কোনও কিছুকেই এত সহজে সত্য বলে মেনে নিতে পারেন না। তারা ভিডিও-টির সত্যাসত্য যাচাই করার জন্য উঠেপড়ে লাগেন। খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, পুরো গল্পটাই ভুয়ো। কিংবদন্তিকে মান্যতা দিতে পরিকল্পিত ভাবেই এই লোক-ঠকানো ভিডিও বানানো হয়। ফলের আকারে কিছু পুতুল তৈরি করে গাছে ঝুলিয়ে দিয়ে তৈরি করা হয় এই ভিডিও। তার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয় কিংবদন্তির কাহিনি। আদপে এমন কোনও গাছ শুধু তাইল্যান্ড কেন, পৃথিবীর কোথাও নেই।
দেখুন ভিডিও :
No comments:
Post a Comment