Friday, November 11, 2016

স্ক্রিনসহ ভাঁজ করা যাবে স্যামসাংয়ের এই ফোন

স্ক্রিনটাকে ভাঁজ করে রাখা যায় এমন ফ্লিপ ফোন আর বাজারে দেখা যায় না। কিন্তু ফ্লিপ ফোন থেকে বেরিয়ে আসেনি স্যামসাং। প্রতিবছরই অন্তত একটি করে ফ্লিপ ফোন আনে কোরিয়ান টেক জায়ান্ট যাতে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড। কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলোর বিলাশ টাচ স্ক্রিন অনেক বেশি জনপ্রিয়। তবুও হয়তো নস্টালজিয়ার কারণেই ফোনগুলো বানানো হয় এবং অনেক মানুষ তা ব্যবহার করে।তবে আগের ডিজাইনের ফ্লিপফোন থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছে স্যামসাং। এতে আধুনিকতা যোগ করা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। নতুন এক প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি ফ্লিপ ফোনে তারা দুটো পর্দা আনতে যাচ্ছে।
একটি পেটেন্টে পরিকল্পিত ফোনের ছবি প্রকাশ করা হয়। এটাকে ফ্লিপ ফোন হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আধুনিক অন্যান্য ফোটের মতো গোটাটাই স্ক্রিন। আবার সেই স্ক্রিন মাঝখান থেকে ভাঁজ করে রাখা যাবে। ভাঁজ খুললেই এখনকার যেকোনো ফোনের মতো একটি স্ক্রিনের হয়ে যাবে।ভাঁজ করার জন্য মাঝখানে যে হিঞ্জ থাকবে তা মাইক্রোসফটের সারফেস বুকের কথা মনে করিয়ে দেয়। সারফেস বুক একটি ল্যাপটপ কাম ট্যাবলেট। তবে এমন হিঞ্জের একটি অসুবিধার কথা তুলে ধরেছেন এক ব্যবহারকারী। এই অংশে বেশ ধুলো-বালি জমে যায়।২০১৫ সালের মার্চেই স্যামসাং ঘোষণা দেয়, তারা ভাঁজ করা যায় এমন ফোন নিয়ে কাজ করবে।'প্রজেক্ট ভ্যালি' নামের এক প্রজেক্টের মাধ্যমে এ ফোন নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। গুজব রয়েছে, এমন ফোন আগামী বছর থেকেই বাজারে চলে আসবে। এমন ফোন তৈরিতে যে একেবারে নতুন স্যামসাং তা নয়। এমন ডিসপ্লের কথা ২০১৩ সালে লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত সিইএস-এ জানান দেয় তারা। আবার ২০১৪ সালে গ্যালাক্সি নোট এজ ফোনে কার্ভড স্ক্রিন আনা হয়। ভাঁজকৃত পর্দা তৈরিতে স্যামসাংই এগিয়ে বলা যায়।
তবে কার্ভড স্ক্রিন আর আর পুরো ফোন স্ক্রিনসহ ভাঁজ করা যায়—এ দুয়ের মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে। বলা হচ্ছে, ইতোমধ্যে জিয়াওমি এমন ফোন নিয়ে কাজ শুরু করেছে তাদের গবেষণাগারে।

No comments:

Post a Comment