Thursday, November 10, 2016

ট্রাম্পের সেক্স স্ক্যান্ডালকে পাত্তা দেয় না মার্কিনিরা

ডোনাল্ড ট্রাম্প, এই মুহূর্তে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত নাম। সবেমাত্র জিতে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের মহারণ। কিন্তু এই জয়ের পেছনে ছিল নির্বাচনের আগে প্রচার চলাকালীন কলঙ্কময় কাদা ছোড়াছুড়ি ও কুৎসার অধ্যায়। আক্রমণ যে শুধু ট্রাম্প একাই করেছেন তা নয়, করেছে দুপক্ষই। কিন্তু এই 'কুৎসিত' ব্যক্তিগত আক্রমণের একটা অনুচ্ছেদ শুরু করেছিলেন ট্রাম্প নিজেই।
তিনি প্রথম প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কের মঞ্চে টেনে এনেছিলেন যৌন হেনস্থার বিষয়। অবশ্যই ট্রাম্পের অভিযোগের তীর ছিল প্রতিদ্বন্দ্বী হিলারি ক্লিন্টনের স্বামী তথা প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন। কিন্তু যে অভিযোগ শুরু করেছিলেন ট্রাম্প, পরে দেখা গেল সেই একই অভিযোগে তার মুখ পুড়েছেই বেশি। যদিও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যেসব যৌন হেনস্থা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে তার একটিও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
তবুও বিতর্ক দানা বেঁধেছে দুনিয়াজুড়ে। মিডিয়ার সামনে ১২জন মহিলা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ করেছেন। এক ঝলকে দেখে নেয়া যাক কী কী অভিযোগ এসেছিল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে—
১. মেকআপ আর্টিস্ট জিল হার্থ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হেনস্থা ও ইচ্ছার বিরুদ্ধে গায়ে হাত দেয়ার অভিযোগ আনেন। তার অভিযোগ অনুসারে ঘটনাটি ঘটে ছিল ১৯৯৭ সালে। 
২. ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম স্ত্রী ইভানা ট্রাম্প তার প্রাক্তন স্বামীর বিরুদ্ধে জোর করে যৌন মিলনের অভিযোগ এনেছিলেন। 
৩. ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সব থেকে ভয়ঙ্কর অভিযোগ হলো এক তেরো বছর বালিকাকে ধর্ষণ। 
৪. এক পর্নতারকা বলেছিলেন, ট্রাম্প তাকে জোর করে ধরে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন।
তবে এসব বিতর্ক যে তাকে প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড় থেকে এক চুলও সরাতে পারেনি তা তো বুধবারের ফলেই প্রমাণিত এবং অবশ্যই এই একটি অভিযোগও আইনের চোখে প্রমাণিত নয়।

No comments:

Post a Comment