Wednesday, September 21, 2016



চাঁদে অবতরণ ছিল সিনেমা, দৃশ্য ধারণ করেছি আমি’

---চলচ্চিত্র পরিচালক,স্ট্যানলি কুবরিক


‘চাঁদে অবতরণ ছিল সিনেমা, দৃশ্য ধারণ করেছি আমি’
মার্কিনীদের চাঁদে অবতরণ ইস্যুতে আমেরিকার বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক স্ট্যানলি কুবরিকের একটি সাক্ষাৎকার নিয়ে নতুনকরে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সেখানে তিনি বলেছেন, মার্কিনীদের চাঁদে অবতরণের পুরো ঘটনা ছিল সিনেমা। তিনি নিজেই ওইসব দৃশ্য ধারণ করেছিলেন। তার মতে, সিনেমার স্ক্রিপ্টের মতো করে ঘটনাটি সাজানো হয়েছিল।
চলচ্চিত্র নির্মাতা টি. প্যাট্রিক মিউরে সম্প্রতি ওই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করেছেন। প্যাট্রিক মিউরে দাবি করেছেন, ১৯৯৯ সালে মৃত্যুর তিন দিন আগে স্ট্যানলি কুবরিক তাকে এ সাক্ষাৎকারটি দিয়েছিলেন। কিন্তু এতদিন তিনি তা প্রকাশ করেননি।
তবে স্ট্যানলি কুবরিকের স্ত্রী ক্রিস্টিনা কুবরিক বলেছেন, তার স্বামীর সাক্ষাৎকারটি বানোয়াট। তিনি এ ধরনের কোনো সাক্ষাৎকার দেন নি বলে দাবি করেছেন ক্রিস্টিনা।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৬৯ সালে চাঁদে মানুষ পাঠানোর দাবি করে। কিন্তু বিশ্বের বহু বিজ্ঞানীই যুগে যুগে এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, নাসার মাধ্যমে আমেরিকার চাঁদে মানুষ পাঠানোর ঘটনাটি ছিল শুধুই সাজানো নাটক।
উন্নত বিশ্বের অনেক বিজ্ঞানীর ধারণা চাঁদে যাওয়ার এই নাটকের শুটিং করা হয়েছিল দুর্গম কোনো মরু অঞ্চলে, যেখানে নাটক সাজালে কেউ বুঝতে পারবে না। হলিউডে মার্কিন পরিচালকরা এত অবিশ্বাস্য সব সিনেমা তৈরি করে থাকেন যে তাদের পক্ষে এরকম একটি চন্দ্র বিজয়ের শুটিং করা খুবই সহজ ব্যাপার। কিছু কিছু বিজ্ঞানী এই চন্দ্র বিজয় নাটকের পরিচালকের বলেছিলেন। তারা দাবি করেছিলেন, এই মিথ্যা কাহিনীর পরিচালক ছিলেন বিখ্যাত মার্কিন পরিচালক স্ট্যানলি কুবরিক। এবার সেই কুবরিকের সাক্ষাৎকার প্রকাশ হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নতুনকরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
বিজ্ঞানীরা নাসার সমালোচনা করে বলেন,১৯৬৯ সালে নাসার এমন কোনো উন্নত প্রযুক্তি ছিল না যা দিয়ে মানুষ চাঁদে গমন করতে পারে। এপোলো-১১ নামের মহাকাশ যানটি ছিল সাজানো নাটকের অংশ। মানুষ সত্যিই চাঁদে গেছে নাকি এটা বিশ্বের মানুষের সঙ্গে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রতারণা সেটা আরো বেশি ঘনীভূত হয় মার্কিন রকেট প্রযুক্তি তত্ত্বের প্রবক্তা বিল কেসিংয়ের বক্তব্যের পর। ১৯৭৪ সালে তিনি একটি বই লেখেন ‘আমেরিকার ৩০ বিলিয়ন ডলারের জোচ্চুরি’ শিরোনামে। এই গ্রন্থে তিনি উল্লেখ করেন আমরা কখনই চাঁদে যাইনি। চাঁদে যাওয়ার বিষয়টি ছিল বিশ্ববাসীর সঙ্গে প্রতারণা।
তিনি আরো উল্লেখ করেন এপোলো-১১ মহাকাশ যানটি উৎক্ষেপণের কিছু সময় পর যানটি অদৃশ্য হয়ে যায়। এরপর তিন নভোচারী বিশিষ্ট লুনার ক্যাপসুলটি একটি সামরিক কার্গো বিমানে সরিয়ে ফেলা হয় এবং আট দিন পর ক্যাপসুলটি প্রশান্ত মহাসাগরে ফেলে দেয়া হয়। তারপর নভোচারীদের নিয়ে নেভাদার মরুভূমিতে কঠোর সামরিক প্রহরার মধ্য দিয়ে চন্দ্র বিজয়ের নাটকটি মঞ্চস্থ করা হয়।
মহাকাশচারীরা চাঁদে অবতরণ করার পর সেখানে তাদের কয়েকটি ছবি ও ভিডিও তোলা হয় এবং চন্দ্র থেকে তারা কয়েকটি পাথর সংগ্রহ করে নিয়ে আসেন। এই ছবি,ভিডিও ও পাথরগুলো তাদের সত্যিকারের চাঁদে যাওয়ার প্রমাণ বহন করে।
যারা চাঁদে মানুষ অবতরণকে সাজানো নাটক বলে মনে করেন, তারা এর পক্ষে প্রমাণ হিসেবে বেশ কয়েকটি যুক্তি উপস্থাপন করেছেন। পৃথিবী থেকে আমরা রাতের আকাশে নক্ষত্র বা তারকা দেখতে পাই সুতরাং চাঁদের রাতের আকাশে তারকাগুলোকে আরো উজ্জ্বল দেখানোর কথা। কিন্তু নভোচারীরা চাঁদে গিয়ে যে ছবিগুলো তুলেছেন তাতে কোনো ছবিতে চাঁদের আকাশে তারকা দেখা যাচ্ছে না। চাঁদ থেকে ফেরার পর মহাকাশচারীরা বলেছিলেন সেখানে কোনো অক্সিজেন বা বাতাস নেই ফলে সেখানে স্বাভাবিক অবস্থায় এক মিনিটও বাঁচা সম্ভব নয়। কিন্তু চাঁদে থাকতে মহাকাশচারীদের যে ছবি তোলা হয়েছিল তাতে দেখা যায় চাঁদে তাদের পুঁতে রাখা মার্কিন পতাকা বাতাসে উড়ছে। তাহলে চাঁদে বাতাস না থাকলে তাদের পতাকা বাতাসে উড়ছিল কীভাবে। সেটা কি তাহলে পৃথিবীর বাতাস ছিল!
ছবিতে দেখা যায় নভোচারীরা যেখানে অবতরণ করেছিলেন সেখানে পাশাপাশি বস্তুগুলোর ছায়া পরস্পরকে ছেদ করেছে এবং বিভিন্ন বস্তুর ছায়া বিভিন্ন দিকে গেছে। কিন্তু চাঁদে শুধু আলোর উৎস সূর্য হয়ে থাকলে বস্তুর ছায়া পরস্পরকে ছেদ না করে সমান্তরাল হওয়ার কথা। তাহলে কি সেখানে শুটিং করার সময় কৃত্রিম আলো ব্যবহার করা হয়েছিল! মানব ইতিহাসে চন্দ্র বিজয় ছিল সবচেয়ে বড় ঘটনা তারপরও এই অভিযানের টেলিমেট্রি ডাটা পরে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। অবশ্য নাসা বলেছিল এই ডাটা তাদের কাছ থেকে হারিয়ে গেছে।
কিন্তু এমন গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ডাটা তাদের কাছ থেকে কীভাবে হারিয়ে যায় সেটা একটি প্রশ্নের বিষয়। এ সব বিষয়গুলো ছাড়াও ছোটখাটো অনেক অমীমাংসিত প্রশ্ন লুকিয়ে আছে চন্দ্র বিজয় কাহিনীতে। চন্দ্র বিজয় কর্মকাণ্ডে জড়িত নভোচারীদের মধ্য থেকে গাস গ্রিসাম নামের এক নভোচারী চন্দ্র জয়ের পর নিহত হন। অনেকের ধারণা, তিনি আমেরিকার ওই প্রতারণার কথা বিশ্বকে জানিয়ে দিতে চেয়েছিলেন তাই তাকে কৌশলে হত্যা করা হয়েছিল। চন্দ্র জয় প্রসঙ্গে এ ধরনের আরও নানা প্রশ্ন রয়ে গেছে যেগুলোর যৌক্তিক জবাব এখনও দিতে পারে নি আমেরিকা।
- সূত্র : আইআরআইবি

Sunday, September 18, 2016

পাকিস্তানের মসজিদে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে নিহত ১৬আফগানিস্তান সীমান্ত লাগোয়া উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানের একটি মসজিদে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারালেন অন্তত ১৬ জন। গুরুতর জখম হয়েছেন ২৪ জন। তাঁদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করানো হয়েছে হাসপা

mosque

তালে।পুলিশ জানাচ্ছে, শুক্রবার নমাজ পরার সময় যখন ওই বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে, তখন ওই মসজিদটি ছিল ভিড়ে ঠাসা। তারই মধ্যে থেকে হঠাৎই এক জন ‘আল্লা হো আকবর’ বলে চেঁচিয়ে উঠে ওই বিস্ফোরণ ঘটায়। মসজিদটি যে এলাকায়, উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানের সেই মহমন্দ আসলে একটি উপজাতি-অধ্যুষিত অঞ্চল। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা বলে আফগানিস্তান সীমান্ত-লাগোয়া অঞ্চলটি বহু দিন ধরেই দীর্ণ আল-কায়েদা, তালিবান ও বিভিন্ন ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের সন্ত্রাসে।

বিশ্বকে চমকে দিয়ে চিনা বাহিনীতে এল বৃহত্তম উভচর বিমান এজি ৬০০


 
 

ag600ডুবোজাহাজ, যুদ্ধ জাহাজ, অ্যান্টি স্যাটেলাইট মিসাইল-সহ অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রের নিরন্তর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে চিন। এ বার সেনাবাহিনীতে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হল এজি ৬০০। দক্ষিণ চিন সাগর নিয়ে বর্তমানে যে চাপা উত্তেজনা চলছে, এই ধরনের বিমান বানিয়ে তারই কি প্রস্তুতি নিচ্ছে চিন? কী রয়েছে এই বিমানে দেখে নিন।




                                                                  ag600
ag600
ag600
ag600
ag600
ag600
ag600
ag600

হঠাত্ই গায়েব হয়ে যায় এই রাস্তা!  


road
ভাবুন তো, আপনি রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন, হঠাত্ই দু’পাশ দিয়ে জল এসে রাস্তায় ভরে গেল। জলের উচ্চতা আপনার সমান! হ্যাঁ, এ রকমই একটি রাস্তা রয়েছে ফ্রান্সে।চলাচলের জন্য উন্মূক্ত এই সেই ভয়াল পথ...

কমোড, তাও আবার সোনার! কোথায় জানেন?  

gold toilet
সোনার হার, সোনার দুল কিংবা সোনায় তৈরি মূর্তি নয়। একেবারে খাঁটি সোনায় তৈরি একটা আস্ত কমোড বসেছে নিউইয়র্কের গুজেনহেম জাদুঘরের টয়লেটে। কী অবাক হলেন?  অবাক হওয়ারই কথা। জাদুঘরের দর্শনার্থীদের জন্য ১৮ ক্যারেটের সোনা দিয়ে তৈরি একটি কমোড বানিয়েছেন ইতালির ভাস্কর মৌরিজিয় ক্যাটালান।
জাদুঘরের সব দর্শণার্থীই সোনার কমোড ব্যবহার করতে পারবেন। জাদুঘরের পাঁচতলায় একটি টয়লেটে বসছে এই স্বর্ণ কমোড। খাঁটি সোনায় তৈরি কমোডটি নিয়ে তো কোনও ঝুঁকি নেওয়া চলে না। কমোড পাহারা দেওয়ার জন্য তাই টয়লেটের বাইরে সর্বক্ষণ একজন নিরাপত্তারক্ষী রেখে দেওয়া হয়েছে। প্রতিবার টয়লেট ব্যবহারের পর নিরাপত্তারক্ষীরা ভিতরে ঢুকে দেখে নেবেন কমোড অক্ষত আছে কি না।
এমন কী ওই বাথরুমটিতে কেউ ব্যাগ নিয়ে ঢুকতে পারবেন না বলে জানিয়েছে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ। কমোডটির কত দাম তা নিয়ে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ মুখ না খুললেও, শোনা যাচ্ছে এর আনুমানিক মূল্য ২০ লক্ষ মার্কিন ডলার (১৩৪ কোটি ১৪লক্ষ টাকা)।
দেখুন ভিডিও: 
কমোডের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ওই টয়লেটের বাইরে দর্শকদের লম্বা লাইন পড়ে গিয়েছে। হাজার হোক সোনার কমোড, তা ব্যবহারের সুযোগ কী কেউ ছাড়তে চায়! মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ যদিও এটিকে একটি শিল্পকর্ম বলেই দাবি করেছেন। এই কমোডের নাম দেওয়া হয়েছে ‘আমেরিকা’। মিলানে জন্মগ্রহণ করা ৫৫ বছর বয়সী এক ভাস্কর একজন ট্রাকচালকের ছেলে। তিনি জানান, তার এ শিল্পকর্মের মধ্য দিয়ে তিনি অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

হিলারিকে ট্রাম্পের চ্যালেঞ্জ

Hillary-Trump
অস্ত্র নামিয়ে রাখুক হিলারি ক্লিন্টনের দেহরক্ষীরা। দেখা যাক, তার পর কী অবস্থা হয় তাঁর। ভরা সভায় দাঁড়িয়ে প্রতিপক্ষকে বিঁধতে গিয়ে ফের বিতর্কে জড়ালেন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার মায়ামির সভায় ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে গুপ্তহত্যার ইঙ্গিতও দেখছেন কেউ কেউ। হিলারির দেহরক্ষীদের নিরস্ত্র করার কথা এর আগেও বলেছেন তিনি। কিন্তু তার ফলাফল নিয়ে এমন ভয়াবহ ইঙ্গিত এ বারই প্রথম।কিন্তু কেন এই মন্তব্য? ট্রাম্পের যুক্তি— হিলারি নিজেই যখন অস্ত্র চান না, তখন তাঁর আর সশস্ত্র দেহরক্ষীর কোনও প্রয়োজন নেই। হোয়াইট হাউসের দৌড়ে থাকা হিলারির পাশাপাশি কয়েক মাস ধরে নিউ ইয়র্কের ধনকুবের ট্রাম্পের জন্যেও বিশেষ সশস্ত্র নিরাপত্তার বন্দোবস্ত রেখেছে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস। গত কাল ট্রাম্পের এই মন্তব্য ঘিরে তাই বিস্তর জলঘোলা শুরু হয়েছে মার্কিন কূটনীতিক মহলে।
ট্রাম্পকে পাল্টা তোপ দেগেছে হিলারি-শিবিরও। তাদের দাবি, অনেক দিন ধরেই নিজের সমর্থকদের এ ভাবে উস্কানি দিয়ে আসছেন রিপাবলিকান পদপ্রার্থী। মায়ামির সভায় যা মাত্রা ছাড়ায় বলে অভিযোগ করেছেন হিলারির শিবিরের মুখপাত্র রবি মুক। তাঁর কথায়, ‘‘সমাবেশে দাঁড়িয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য করাটা উনি অভ্যেসে পরিণত করে ফেলেছেন। কিছু ক্ষেত্রে হয়তো মস্করাও করেন। কিন্তু ভবিষ্যতে যিনি দেশের কম্যান্ডার-ইন-চিফ হতে চাইছেন, তাঁর কাছ থেকে এমন মন্তব্য কোনও ভাবেই কাম্য নয়।’’
এর আগে, চলতি বছরের মে মাসেও ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশনের সভায় হিলারির দেহরক্ষীদের নিরস্ত্র করার দাবি জানিয়েছিলেন ট্রাম্প।  সে বারও তাঁর যুক্তি ছিল, ‘‘মার্কিন জনগণের অস্ত্র রাখার অধিকারে কড়াকড়ি চান হিলারি! এই সূত্রেই প্রচারের শুরু থেকে তিনি মার্কিন সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বাতিলের পক্ষে জোর সওয়াল করে আসছেন। অথচ নিজেই দিব্যি সশস্ত্র দেহরক্ষী নিয়ে ঘুরে বে়ড়াচ্ছেন!’’
হিলারি তখনও প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে পার্টির চূড়ান্ত মনোনয়ন পাননি। কিন্তু হোয়াইট হাউসের দৌ়ড়ে এখন তিনিই যে হেতু দলের মুখ, তাই ট্রাম্পের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আজ কড়া বার্তা দিয়েছেন ২০১২-র রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী মিট রমনি। এ নিয়ে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের তদন্তে নামা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

Thursday, September 15, 2016

সদা সত্য কথা বলিবে

পৃথিবীর মোটামুটি সব পেট্রোল পাম্পেই সতর্কতার জন্য নোটিস লাগানো থাকে যে এখানে ধূমপান করা নিষেধ। কিন্তু ভারতের এক পেট্রোল পাম্পের মালিক
পেট্রোল পাম্পের সেই নোটিসের ছবি
"সদা সত্যকথা বলিবে" এই আপ্তবাক্যটি একটু বেশী সিরিয়াসভাবে নিয়ে নিজের পেট্রোল পাম্পে লিখে রেখেছেন - 
এখানে ধূমপান করা নিষেধ। আপনাদের জীবনের কোনও দাম না-ই থাকতে পারে, কিন্তু আমাদের পাম্পের পেট্রোল খুবই দামী জিনিস!"