Friday, March 5, 2021

 

ফ্রিজে ডিম রাখতে গিয়ে ৯০ শতাংশ মানুষ 

এই ভুল করেন  


ফ্রিজে ডিম রাখতে গিয়ে ৯০ শতাংশ মানুষ এই ভুল করেন


ফ্রিজে ডিম রাখতে – ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ৯০ জন এই ভুল কাজটা করে থাকেন। আর এই কারণে তাদের শরীরকেও যে বেশ ভোগান্তি পোহাতে হয়, সে বিষযে কোনও সন্দেহ নেই!একাধিক গবেষণায় একথা প্রণামিত হয়েছে যে ফ্রিজের দরজার যে অংশে ডিম রাখার ব্যবস্থা করা হয়, সেখানে ভুলেও ডিম রাখা উচিত নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রেফ্রিজারেটরের এই অংশে তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে ওঠা-নামা করে। যে কারণে ডিম খারাপ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তো থাকেই। সেই সঙ্গে নানাবিধ ব্যাকটেরিয়া আক্রামণে ডিম খারাপ হয়ে যায়।এসব ডিম খেলে শরীরের যে কী হাল হতে পারে, তা নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে না। সেই কারণে এবার থেকে ভুলেও ফ্রিজের দরজায় ডিম রাখবেন না। পরিবর্তে একটি এয়ার টাইট পাত্রে ডিম রেখে তা ফ্রিজের পেটের ভিতরে রাখবেন। এমনটা করলে একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় ডিমগুলো থাকবে। ফলে সেগুলো খারাপ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমবে।প্রসঙ্গত, আরও কতগুলো বিষয় মাথায় রাখতে হবে। যেমন- রান্না করা ডিম ভুলেও ৩-৪ দিনের বেশি ফ্রিজে রাখা চলবে না। এর বেশি সময় ফ্রিজে রেখে সেই খাবার খেলে শরীর খারাপ হতে পারে। আর কাঁচা ডিম কখনই ৩০ দিনের বেশি রেখে খাবেন না। এই নিয়মগুলো মেনে ফ্রিজে ডিম রাখলে খাবারটির শরীরে উপস্থিত একাধিক উপকারী উপাদান, যেমন- ভিটামিন-এ, ভিটামিন বি২, বি১২, বি৫, ভিটামিন ডি, ই, বায়োটিন, কোলিন, ফলিক অ্যাসিড এবং আয়রন একেবারে ঠিক ঠিক অবস্থায় থাকবে। ফলে এমন ডিম খেলে নানাভাবে শরীরের উপকারও হবে।        

 

স্ত্রীকে খুব সুখী রাখুন এই ৯টি কৌ’শলে! 

হয়তো আপনার স্ত্রী খুব খা’রাপ সময় পার করছে বা হয়তো সে ভালোই রয়েছে।’ যাই হোক না কেন, সংসার ঠিকঠাক রাখতে হলে স্ত্রীকে সুখি রাখাটা কিন্তু কম গু’রুত্বপূর্ণ নয়। রুটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, সংসারে স্বামীর তুলনায় স্ত্রীকে সুখী রাখা বেশি ক’ঠিন। আপনার কী মনে হয়? তাই নয় কি? তাই, আজ ‘আপনাদের জা’নাব স্ত্রীকে সুখী রাখার কিছু কৌশলের কথা। কৌশলগুলো লেখা হয়েছে লাভ লানিং

১. ফোন করুন: বাজার-সদাই, বাচ্চার স্কুল, টাকা- পয়সা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে তো স্ত্রীর স’ঙ্গে ফোনে সবসময়ই কথা বলেন। তবে এর বাইরেও তাকে ফোন করুন। ‘হ্যালো’ বলুন বা তাকে বলুন, আপনি তাকে মিস করছেন। দেখবেন, সে খুশি হবে।

২. ফুল কিনুন: এটা আ’সলে কোনো ‘রকেট সায়েন্স’ নয়। তবে ফুল, চকলেট বা ছোট ছোট কোনো উপহার স্ত্রীকে দিলে সে কিন্তু খুশিই হয়। সে বুঝবে আপনি তার পছন্দ-অপছন্দের প্রতি য’ত্নবান।

৩. তার কথা শুনুন: সবাই চায় মানুষ তার কথা শুনুক ও তাকে বুঝতে পারুক। মানুষ চায় আ’সলেই কেউ তার ব’ন্ধু হোক। আপনিও সে কৌশলটি অবলম্বন করুন।স্ত্রীর কথা শুনুন এ’বং বোঝার চেষ্টা করুন, হোক না সেটা যত অপ্রয়োজনীয়। তাকে বিচার করার আগে তার আবেগকে গু’রুত্ব দিন। এই অভ্যাসটি কিন্তু স্ত্রীর মন গলাতে কাজে দেবে।

৪. ঘরের কাজে সহযোগিতা: আধুনিক জীবন খুব চা’পযুক্ত। এখন ছেলেমেয়ে উভ’য়েই বাইরে কাজ করে। সারা দিন অফিস করে এসে ঘরের কাজ ক’রতে গেলে আপনার যেমন ক্লান্ত অ’নুভব হবে,আপনার স্ত্রী’র ক্ষেত্রেও কিন্তু বিষয়টি তাই। তাই ঘরের কাজে স্ত্রীকে সাহায্য করুন।

৫. আপনি যত্নবান,বিষয়টি বোঝান: আপনি তার প্রতি ‘যত্নবান— এ বিষয়টি তাকে বোঝানোর চেষ্টা করুন। তাকে ভালোবাসার কথা বলুন। বিয়ের পর অনেক দম্পতির মধ্যেই এ বিষয়টি আর হয় না। তবে ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’- এ ছোট্ট কথাটি স’স্পর্কের ভেতরে প্রা’ণ আনতে সাহায্য করে। তাই লজ্জা ছে’ড়ে ভালোবাসার কথা বলুন।

৬. স্বপ্ন পূরণে সাহায্য করুন: আপনি আপনার স্ত্রীর স্বপ্ন পূরণে সাহায্য করলে সে আপনার প্রতি নির্ভর করবে এবং বুঝতে পারবে আপনি তাকে গু’রুত্ব দিচ্ছেন। আর এতে সে খুশিও হবে।‘

৭. ‘হ্যাঁ’ বলুন: এই শব্দটি খুব সহজ। কিন্তু স্ত্রীর মন জয়ের জন্য বেশ উপকারী। তার প’রামর্শ বা আইডিয়ার প্রসংশা করুন এবং ‘হ্যাঁ’ বলুন। আর যদি বিষয়টি আপনার মতের সঙ্গে নাও মিলে তাহলে নরমভাবে ভিন্নমতটি বলুন এবং আপনার মতটি তার মতের তুলনায় কেন ভালো সেটি বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন,সে গলে যাবে।

৮. সময় দিন: বেশির’ ভাগ দম্পতির স’স্পর্কে একটি পর্যায়ে এক ধ’রনের একঘেয়েমি চলে আসে। এ একঘেয়েমি দূ’র ক’রতে নিজেদের মধ্যে সময় কাটান। কোথাও বেড়াতে যান বা বাইরে খেতে যান। প্রায়ই এ কাজগুলো করুন। এ বিষয়টিও আপনার স্ত্রীর মেজাজ ঠাণ্ডা রাখবে।

৯. জড়িয়ে ধ’রুন: জা’নেন কি’ জড়িয়ে ধ’রা মন ও স্বা’স্থ্যকে ভালো রাখে? আম’রা যখন কেউ কাউকে জড়িয়ে ধ’রি তখন মস্তিষ্ক থেকে ভালো অনুভূতির হরমোন বের হয়। আর এটি ‘আমাদের সুখী করে। তাই স্ত্রীকে প্রায়ই জড়িয়ে ধ’রুন। এতে স’স্পর্ক শক্ত না হলেও, ন’ষ্ট হবে না।

 

পালং শাকের সঙ্গে লেবু: পালং শাকের মধ্যে রয়েছে পর্যাপ্ত আয়রন। ফলে যাঁরা রক্তাল্পতায় ভুগছেন, তাঁদের খাদ্যতালিকায় পালং শাক থাকাটা বাঞ্ছনীয়। এর সঙ্গে যদি পাতিলেবু মিশিয়ে নিতে পারেন, তো কথাই নেই। তাতে পালং শাকের আয়রন আরও সহজে শরীর শোষণ করতে পারে।

স্ট্রবেরির সঙ্গে পালংশাক: স্ট্রবেরিতে রয়েছে ভিটামিন সি। পালংশাকে আয়রন। আয়রনের অভাবে ক্লান্তি, পেশিদুর্বলতা দেখা দেয়। গোছা গোছা চুল পড়ে। তাই বিশেষত মেয়েদের ভিটামিন সি-র সঙ্গে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খাওয়া উচিত। স্ট্রবেরির সঙ্গে পালংশাক যথাযথ কম্বিনেশন।

টোম্যাটোর সঙ্গে অলিভ অয়েল: টোম্যাটোর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট লাইকোপেন ও ক্যারোটিনয়েড। টোম্যাটোর পুরো গুণ পেতে হলে, এর সঙ্গে অলিভ অয়েল মেশালে ভালো। এতে কোলেস্টেরল ও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ হবে। ক্যানসার প্রতিরোধেও এর তুলনা নেই।

মাছের সঙ্গে কারি মশলা: মাছ খেতে হলে একসঙ্গে হলুদ, জিরে ও ধনে বেটে রান্না করুন। তাতে হার্টের পক্ষে উপকারী ওমেগা থ্রি-র উপকার পাবেন। মাছে রয়েছে ডিএইচএ ও ইপিএ ফ্যাট, যা ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

বেরি খেলে মিক্সড বেরি খান: মানে ব্ল্যাকবেরি, স্ট্রবেরি সব একসঙ্গে খান। কারণ অনেক বেশি পুষ্টিদায়ক।ডিমের সঙ্গে চিজ: হাড়ের গঠন মজবুত করতে ক্যালসিয়াম জরুরি।

এই ক্যালসিয়াম অ্যাবজর্ভ করার জন্য লাগে ভিটামিন ডি। খুব কম খাবারেই ভিটামিন ডি রয়েছে। তার মধ্যে একটি ডিমের কুসুম। ডিমের ওমলেট খেলে পরিমাণ মতো চিজ মিশিয়ে নিন। তাতে ভালো ফল পাবেন।

 

স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্ককে কার্যকর রাখে আলু  

স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্ককে কার্যকর রাখে আলু

আলুর ভিটামিন-বি-৬ স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্ককে কার্যকর রাখতে সাহায্য করে। ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড মেডিক্যাল সেন্টারের পুষ্টি বিজ্ঞানিদের মতে, 'খোসা-সহ সিদ্ধ আলুর রান্না করা খাবার নিয়ম করে খেলে মানসিক চাপ, অবসাদ কমে মনোযোগী হওয়া যায়।'

প্রতি ১০০ গ্রাম আলুতে ১ মিলিগ্রামেরও কম চর্বি থাকে। তাই খাদ্যতালিকায় প্রতিদিন আলু রাখা যায়।  যাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি ভাতের পরিবর্তে আলু খেতে পারেন। সেই সাথে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খাবার তালিকায় রাখুন আলু।
 
আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিকাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত গবেষণাপত্র অনুযায়ী, আলুতে থাকা কার্বোহাইড্রেট রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এর ফলে স্মৃতিশক্তি  বাড়ে। 

সিদ্ধ আলুর রান্না নিয়ম করে খেলে শরীরের প্রদাহ কমে। ফলে আর্থারাইটিস জনিত বাতের ব্যথা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। খোসা-সহ আলুর ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার সঙ্গে সঙ্গে হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

আমেরিকার ইনস্টিটউট অফ ফুড রিসার্চের খাদ্য বিজ্ঞানীরা আলুতে থাকা এক বিশেষ উপাদান কুকোয়ামাইনস বিশ্লেষণ করে জেনেছেন, এই উপাদানটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। আলুতে যথেষ্ট পরিমাণে পটাশিয়াম আছে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পটাশিয়াম কাজে লাগে। যারা নিয়মিত অল্প পরিমাণ আলু খান, তাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকে। 

খোসা-সহ সিদ্ধ আলুতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যাফেইক অ্যাসিড, ক্যারোটিনয়েড ও ফ্ল্যাভোনয়েডস নামে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস থাকে। এ সবই আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারি। এইসব উপাদান মানুষকে সামগ্রিক ভাবে সুস্থ থাকতে ভূমিকা রাখে।

হজম শক্তি বাড়াবে ও পাকস্থলির সমস্যা দূর করবে আলু 

হজম শক্তি বাড়াবে ও পাকস্থলির সমস্যা দূর করবে আলু

আমরা সবাই খাই ফলের রস। কিন্তু আলুর রস কী খাবো? এই আলুর রসে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ। আলুর রসে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকায় এটি স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। নিয়মিত আলুর রস খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। 

আলুর রস হজম শক্তি বাড়ায়, অ্যাসিডিটি কমায় ও পাকস্থলির সমস্যা দূর করে। লাল আলুর রস আলসার কমাতে সাহায্য় করে। আলুর রসে ভিটামিন-সি থাকায় এটি সর্দি-কাশি কমাতে সাহায্য় করে। 

কাঁচা আলুর রসে প্রাকৃতিক সুগার ও কার্বোহাইড্রেট থাকায়, এটি শারীরিক শক্তি বাড়াতে সাহায্য় করে। 

ওজন কমাতে ও ক্ষত স্থান থেকে রক্তপাত কমাতে আলুর রস ভাল কাজ দেয়। লিভার পরিষ্কার রাখতে খুব ভাল কাজ দেয় আলুর রস। আলুর রস হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

 

মানসিক রোগ...


মানসিক রোগ...
আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন

আমরা মন্ত্রী, এমপি, সরকারি ও বড় বিরোধী দলের বড়-মাঝারি নেতারা বহর ছাড়া চলতে পারি না। আমাদের কোনো সফরকালে গাড়ি বহর দিয়ে সংবর্ধনা না দিলে, প্রচুর গেট, বিলবোর্ড না করলে, ফুলের প্রাচুর্য না হলে আমাদের মন ভরে না। 

আমার মতে, এটি একটি মানসিক রোগ। ইদানিং প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মধ্যে অনেকেই এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। নেতাদের ক্ষেত্রে দলের ছোট নেতা, কর্মীদের পকেট বা চাঁদাবাজি থেকে এই অর্থ ব্যয় হয়। সরকারি কর্মচারীদের বহরে ব্যবহৃত গাড়ির জ্বালানি ও সাড়ম্বরের ব্যয় বহন হয় সরকারি কোষাগার ও ‘অন্য’ উৎসের অর্থ থেকে। 

যারা আমাদের এতো আদর আপ্যায়ন করেন, তারা আমাদের নিকট আসলে এক কাপ লাল চা দিয়ে আপ্যায়নও করি না। আবার তারাও বড় নেতা এবং বড় কর্তাদের তোষামোদের জন্য সব উজার করে দেন, কিন্তু তৃণমূলের পরিশ্রমী, ত্যাগী কর্মীদের অথবা অফিসের গরীব কর্মচারীকে এক কাপ চা খাওয়াতে, তার বিপদে পাশে দাঁড়াতে পারেন না। 

বড় নেতা এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের এই মানসিক অসুস্থতা থেকে বের হতে হবে। প্রজাতন্ত্রে কারো পদই চিরস্থায়ী নয়। 

লাখো শহীদের রক্ত বিধৌত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশে জনগণই সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। আসুন, প্রজাতন্ত্রের প্রধান নির্বাহী বিচক্ষণ রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনার জীবন ও কর্ম থেকে শিক্ষা গ্রহণ করি। সাড়ম্বরের অপচয় বন্ধ করে যার যার অবস্থান থেকে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করি। অন্তত নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠা ও পবিত্রতার সঙ্গে পালন করি।

লেখকঃআবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন

 

বয়স আপনার জীবনে প্রতিবন্ধকতা নয়! ১০৯ বছর বয়সি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ তাঁর   গোপনীয়তা প্রকাশ করেছেন দীর্ঘায়ুর এবং চমৎকার স্বাস্থ্যের 

Josip Mimica
123 123 12312

সুখ্যাতো নাইজেরিয়ান হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, দিলিপ রাস্তোগি, ৭০ বছর বয়সে অবসর গ্রহণ করেছিলেন, যদিও তিনি অল্পবয়সী রয়ে গেছেন মন এবং শরীরের দিক থেকে । তিনি ইতিমধ্যে ৩৯ বছরে অবসর নিয়েছেন, এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ তাকে অপছন্দ করেন! কারন এই মুহুর্তে, একাডেমিক এর ১০৯ বছর, তবে তিনি মনে করেন তিনি ৬০ বছর বয়সী 

ica
মিঃ রাস্তোগি বলেছেন যে দীর্ঘায়ুটি গোপনীয়তা রক্তনালীতে নির্ভর করে। যদি রক্তনালী সুগঠিত এবং স্বাস্থ্যকর হয়, আপনি ১২০ বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারেন এবং এমনকি অনুভব করবেন সম্পূর্ণ সুস্থ। কার্ডিওলজিস্ট সম্পূর্ণরূপে এই বিবৃতি নিশ্চিত করেছেন।

আমাদের প্রতিবেদক তার সাক্ষাত্কার নিতে পেরেছিলেন। মিঃ রাস্তোগি, যিনি তাঁর জীবন-দীর্ঘায়িত করনের পদ্ধতি ব্যাখ্যা করেছিলেন যা রক্তনালী পরিষ্কারের মাধ্যমে।
12 3123 213 123

21 3 12 312 312
A১০৯ বছর বয়সে, মিঃ রাস্তোগিকে রাষ্ট্রপতি অভিনন্দন জানিয়েছেন
- মিঃ রাস্তোগি, আপনি প্রায়ই বলেছিলেন যে পরিষ্কার রক্তনালীই স্বাস্থ্যের ভিত্তি। কেন?

- এটা সাধারন। দেহের অঙ্গ ও সিস্টেমের কার্যকারিতা রক্তের মানের উপর নির্ভর করে সঞ্চালিত হয়। রক্ত সঞ্চালনের অর্থ অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলিতে অক্সিজেন এবং পুষ্টি সরবরাহ করার পাশাপাশি কার্বন ডাই অক্সাইড এবং বিপাকীয় দ্রব্য সংগ্রহ। শৈশব, কৈশোরে, যৌবনে, আমরা বেশী চলাচল করি, আর রক্তনালী গুলি নতুন, স্থিতিস্থাপক, সুগঠিত - তখন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে পুষ্টি সর্বাধিক থাকে। বয়সের সাথে সাথে আমরা কম চলাচল করি, এবং আমাদের রক্তনালী গুলি মলিন হতে শুরু করে। অনেক গুলি কারণেই এটা হয়ে থাকে, সব ক্ষতিকারক নয় কিন্তুু (যেমন ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর খাবার, নিম্ন পরিবেশ, আলস জীবনধারা), তবে প্রাকৃতিক (লিপিড (ব্লক তৈরি) জমা করা, একটি প্রক্রিয়া) যা সমস্ত প্রাণীর মধ্যে বিদ্যমান)।

'খারাপ' রক্তনালী অর্থ কী? কল্পনা করুন মরিচা পূর্ণ কিছু পাইপ। কি হচ্ছে? পানির চাপ বাড়ছে এবং পানির প্রবৃত্তি খারাপ হয়। রক্তের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে রক্তনালীর উপর যখন কোলেস্টেরল বা অন্যান্য পদার্থ জমা হয় তখন রক্তচাপ বাড়ে (খারাপ' রক্তনালী গুলি উচ্চ রক্তচাপের প্রধান কারণ!), তখন রক্তে অপরিশোধিত দ্রব্য থাকে, রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। ফলস্বরূপ, শরীরের সমস্ত অঙ্গ এবং সিস্টেমে পরিবর্তন ঘটে। এমনকি ত্বকও একটি সিস্টেম।

মানুষের দেহের বয়স বেড়ে যায়। আপনি যদি যত্নবান হন এবং আপনার রক্তনালীগুলি পরিষ্কার করেন তবে আপনার সম্ভাবনা রয়েছে বেঁচে থাকার কমপক্ষে ২০ বছর, অঙ্গতে বা জয়েন্টে ব্যথা অনুভব না করে, এবং শরীর কাজ করবে দুর্দান্তভাবে। অন্য কথায়, রক্তনালীগুলি পরিষ্কার করে আপনার জীবন এবং স্বাস্থ্যকে দীর্ঘায়িত করতে পারেন। এবং এটা শুধু একটি থিওরি নয়। আমি আমার রোগীদের এই পদ্ধতিটি সুপারিশ করেছি এবং আমি এটি ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন করি। যারা আমার পরামর্শ শুনেছি তারা আমার মতন একই বয়স ছাড়িয়ে গেছেন।

Stanić Ante umirovio

এভাবেই রক্তনালীতে ক্রমশেই ময়লা জমা হয়। আপনি যদি কখনও আপনার রক্তনালীগুলি পরিষ্কার না করেন এবং আপনার বয়স ৪০ বছরের বেশি, তখন রক্তনালী গুলিতে অনেক অপরিশোধিত দ্রব্য থাকে। এটি আপনার স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে, বা হতে পারে এই প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
c

- 'খারাপ' রক্তনালীগুলি কী ধরণের রোগের কারণ হতে পারে?
d dc
- যেমনটি আমি ইতিমধ্যে উল্লেখ করেছি, পুরো শরীর ভুগে। তবে সবার আগে, প্রভাবিত হয় সরাসরি অঙ্গ এবং সিস্টেমে রক্ত সঞ্চালনের সাথে সংযুক্ত - কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেম।

রক্তনালী গুলি থেকে অপরিশোধিত দ্রব্য নিম্নলিখিত রোগগুলির উপস্থিতির কারণ হতে পারে:
Naš dopisnik uspio je
অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস
রক্তনালী ভালভাবে কাজ করা বন্ধ করে দেয়: ছোট ছোট রক্তনালী গুলি পুরোপুরি ব্লক হয়ে যায়, এবং মূল রক্তনালী গুলিতে কোলেস্টেরল উচ্চ মাএায় জমে থাকে।
ইসকেমিক হৃদরোগ
এটি করোনারি রক্তনালির নিয়মিত রক্তের ঘাটতির কারণে ঘটে, যা, পরিবর্তে, রক্তনালি থেকে অপরিশোধিত দ্রব্য বহন করে।
স্ট্রোক
সেরিব্রাল টিস্যুতে রক্ত সরবরাহের দুর্বলতা গুলি স্নায়ুবিক সংবেদনশীলতা অনুভবের মৃত্যু ঘটায়, যা কিছু নির্দিষ্ট ফাংশন কে ক্ষতির দিকে নিয়ে যায়।
উচ্চ রক্তচাপ
রক্তনালী গুলি থেকে অপরিশোধিত দ্রব্যর কারনে লুমন সংকীর্ণ এবং বৃদ্ধি ঘটায় রক্তচাপের।
ভেরিকোজ শিরা
এগুলি শরীরের অভ্যন্তরে আবির্ভূত হয় কেবল পায়ে নয় (যা মহিলাদের জন্য উদ্বেগজনক)। হেমোরয়েড এর পরিণাম হলো শিরা প্রসারণ ।
ভেনাস এবং ধমনী থ্রোম্বোসিস।
রক্তনালীতে জমে থাকা অপরিশোধিত দ্রব্যগুলি থ্রোম্বি গঠন করে এবং রক্তনালীর মৃত্যু ঘটায়, যা কোনও অঙ্গ থেকে কোষের একটি গ্রুপের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। যদি থ্রোম্বাস শিথিল করে এবং রক্ত প্রবাহে প্রবেশ করে তবে হৃদয়ের রক্তনালী গুলি ব্লক হতে পারে, কার্ডিয়াক সিস্টেম গতিরোধ হতে পারে, যা ৭০% ক্ষেত্রে রোগীর মৃত্যুর ঘটাতে পারে।

এই পরিস্থিতি ছড়িয়ে পড়ছে। কার্ডিওভাসকুলার রোগগুলি অন্যান্য কারণের চেয়ে ৪ গুণ বেশি মৃত্যুর জন্য দায়ী। চিকিত্সকরা এটি সম্পর্কে সচেতন, তারা রক্তনালী গুলি পরিষ্কার করার প্রয়োজনীয়তা জানেন, তবে কিছু কারণে ব্রিটিশ ওষুধ এই দিক টিকে অবহেলা করে। বেশিরভাগ চিকিৎসক নির্দেশ করেন উচ্চ রক্তচাপের ক্ষেত্রে রক্তচাপ হ্রাস করার ওষুধ গুলি। তবে এগুলি নিরাময় বোঝানো হয় না, কিন্তু ওষুধ গুলির একটি অস্থায়ী প্রভাব আছে। রক্তনালী পরিষ্কার করা প্রয়োজন। যাইহোক, এই পদ্ধতিটি আমেরিকা ও ইউরোপে ব্যবহার করা হয়েছে ৩৫-৪০ বছর ধরে, অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে। সেখানকার সমস্ত রোগী রক্তনালী পরিষ্কার করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানেন। আমি নিজেকে সব সময় জিজ্ঞাসা করি এইটা আমাদের দেশে কেন হয় না।
d.
‍
- এমন কোনও লক্ষণ রয়েছে যা আমাদের রক্তনালীর জমাট বাধা উপস্থিতি সম্পর্কে উপলব্ধি করা যায়?

 প্রধান লক্ষণগুলি হলো:
b g b

  1. মাইগ্রেন (মাথার তীব্র ব্যথা)
  2. স্মৃতিশক্তি প্রতিবন্ধকতা
  3. দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি
  4. অনিদ্রা
  5. অন্তরঙ্গ সমস্যা
  6. দৃষ্টিশক্তি এবং শ্রবণ বন্ধকতা
  7. উচ্চ রক্তচাপ
  8. শ্বাসকষ্ট এবং বুক ব্যাথা
  9. পায়ে ফ্যাকাশে চামড়া
  10. পেশী এবং জয়েন্টে ব্যথা

নির্বিশেষে, আপনার যদি এই লক্ষণগুলির মধ্যে একটিও লক্ষণ থাকুক বা না থাকুক, ৩০ বছর বয়সের পরে, রক্তনালী পরিষ্কার করা প্রয়োজন কমপক্ষে ৫ বছরে একবার। এইভাবে, আপনার স্বাস্থ্য দৃঢ় থাকবে।

রক্তনালীগুলির অপরিশোধিত দ্রব্য সংগ্রহ করার ক্ষমতা রয়েছে, বিশেষত বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে। এই জন্য, দিনভর বার্গার বা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খাওয়ার দরকার নেই। সসেজ বা ভাজা ডিম খাওয়ার পরেও, নির্দিষ্ট পরিমাণে কোলেস্টেরল রক্তের কোষে জমা হবে, যা সময়ের সাথে সাথে বৃদ্ধি পাবে।

‍
- দয়া করে, রক্তনালী গুলি পরিষ্কার করার জন্য আপনার গোপনীয়তা সম্পর্কে বলুন।

- সম্প্রতি পর্যন্ত, রক্তকণিকা পরিষ্কার করার প্রক্রিয়াটি আমার কয়েক মাস সময় নিয়েছিল। আমি ঔষুধ গুল্ম সংগ্রহ করেছি, আমি বাজারে খুঁজছিলাম বা আমি ইন্টারনেটে অর্ডার দিয়েছিলাম এবং আমি এগুলো থেকে একটি ফরমুলা প্রস্তুত করেছি। এখন আমার আর এটি করার দরকার নেই কারন কার্ডিওভাসকুলার ইনস্টিটিউট থেকে আমার সহকর্মীরা রক্তনালী পরিষ্কার করার জন্য যেহেতু একটি ভাল এবং সস্তা প্রতিকার তৈরি করেছে যা - Giperium ক্যাপসুল। প্রকৃতপক্ষে, এই পণ্যটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং উচ্চ রক্তচাপকে চিকিৎসা করে, রক্তনালী পরিষ্কার করার মাধ্যমে। সুতরাং, এটি আমাদের জন্য দুর্দান্ত।


নিয়মিত ব্যবহারের মাধ্যমে, Giperium ক্যাপসুল মাত্র ১-২ সপ্তাহের মধ্যে এমনকি সবচেয়ে জমাট বাধা রক্তনালী গুলি পরিষ্কার করে।

আমি উল্লেখ করেছি যে এই ঔষধে কোনও রাসায়নিক নেই, কেবলমাত্র মেডিসিনাল হার্বাসের ঘন নির্যাস যেমন রক্তকণিকা পরিষ্কার করে এমন বৈশিষ্ট্যযুক্ত অর্জুনা এক্সট্র্যাক্ট, মোরিংঙ্গা ওলিফেরা এক্সট্র্যাক্ট এবং লাইকোপেন। এটি অর্গানিজমের জন্য এটি অনেক উপকারী।

‍
বেশির ভাগ রোগী রক্তনালীগুলি বিশুদ্ধ করার ক্ষেত্রে আমার পরামর্শ জিজ্ঞাসা করে চলেছেন। ইদানীং, আমি সুপারিশ করি তাদের কেবল এই পণ্য। এটি অত্যন্ত কার্যকর।

ইনস্টিটিউট ফর কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ওয়েবসাইটে, ক্লিনিকাল স্টাডির সরকারী পরিসংখ্যান অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় ২ হাজার রোগী অংশ নিয়েছিল এবং তারা সকলেই একটি চিকিৎসা অনুসরণ করেছিল Giperium ক্যাপসুল।

গবেষণার ফলাফল:

  1. ওষুধ ব্যবহারের ১-২ দিনের মধ্যে ধমনী রক্তচাপের স্বাভাবিককরণ - ২ ক্যাপসুল খাওয়ার পরে - ৯৯% ক্ষেত্রে
  2. চিকিৎসা শেষ করার পরে হার্ট অ্যারিথমিয়াস স্বাভাবিককরণ - ৯৭% ক্ষেত্রে
  3. চিকিৎসার পরে কোলেস্টেরল থেকে রক্তনালীগুলি সম্পূর্ণ পরিস্কার করা - ৯৯% রোগী
  4. দীর্ঘস্থায়ী রোগের চিকিৎসার দক্ষতা বৃদ্ধি - ৯৯% রোগী
  5. সাধারণ স্বাস্থ্যের অবস্থার উন্নতি - রোগীদের ১০০%
  6. চিকিৎসার সময় কোনও প্রতিকূল প্রতিক্রিয়ার উপস্থিতি - রোগীদের ১০০%

- Giperium ক্যাপসুলের দাম কত এবং আমরা এটি কোথা থেকে কিনতে পারি?

‍
- আপনি জানেন যে পেনশন আপনাকে ব্যয়বহুল ওষুধ কিনতে দেয় না। আমি সুপারিশ করতে পারিনি এরকম একটি ঔষধ। Giperium ক্যাপসুল গুলি ব্যয়বহুল নয় এবং এখনই একটি অফার রয়েছে পর্যন্ত 5.3.2021.
‍
এটি ধমনী উচ্চ রক্তচাপের সাথে মোকাবিলার জন্য কম্পানিটির প্রধান ঔষধ। ফলস্বরূপ, যে কেউ কিনতে পারেন ৫০% ছাড় সহ Giperium ক্যাপসুল।

আরও বিস্তারিত, কীভাবে পাবেন Giperium ক্যাপসুলগুলি সে সম্পর্কে যে কোনও জায়গায় ডেলিভারি সহ

Giperium ক্যাপসুলগুলি অর্ডার করা আপনার উচিত:


  1. অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ফর্মটি পূরণ করুন।
  2. ম্যানেজার ডেলিভারি ঠিকানাটি নিশ্চিত করতে আপনাকে যোগাযোগ করবে
  3. ৪-৭ দিনের মধ্যে (বিতরণের মেয়াদ), আপনি পোস্ট অফিসের মাধ্যমে Giperium ক্যাপসুল পাবেন।

রক্তনালী গুলির বিশুদ্ধতা বজায় রাখার জন্য, আমি প্রতি ১-২ বছর পরে চিকিৎসার পুনরাবৃত্তি করার পরামর্শ দিই। বিশেষত প্রবীণদের জন্য। এটি আপনাকে আপনার স্বাস্থ্যকে শক্তিশালী করতে এবং বার্ধক্যের লক্ষণ স্থগিত করতে সহায়তা করবে। পরিষ্কার রক্তনালী গুলিই ভালো স্বাস্থ্যের গ্যারান্টি।

- মিঃ রাস্তোগি, সাক্ষাত্কারে এই গুরুত্বপূর্ণ বিবরণ প্রকাশ করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

রেকর্ড এর বাইরে, মি। রাস্তোগি স্বীকার করেছেন যে তিনি বাগানে কাজ করতে এবং তার বাচ্চাদের সহায়তা করতে পছন্দ করেন, যারা ইতিমধ্যে অবসর বয়সে পৌছেছেন। তাঁর স্ত্রীও দীর্ঘজীবী, তিনি ৯৯ বছর বয়সী। তারা উভয়ই চিকিৎসা নেন রক্তনালী পরিষ্কার করার জন্য। অধ্যাপক বিশ্বাস করেন যে এগুলিই কেবল তাদের বাঁচিয়ে রাখে।

Thursday, March 4, 2021

 

আমলকির ১০ গুণ 


আমলকির ১০ গুণ

ভেষজ গুণে অনন্য একটি ফল আমলকি। এর ফল ও পাতা দু'টিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও আমলকি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হয়।

আমলকিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলালেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।
 
চলুন জেনে নিই আমলকি খাওয়ার ১০টি উপকারিতা সম্পর্কে :

১. আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।

২. আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।

৩. এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।

৪. আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকির আচার হজমে সাহায্য করে।

৫. প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

৬. আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। 

৭. প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে। আমলকির টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।

৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী। ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারী।

৯. শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে। এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকির আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।

১০. ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।