Thursday, February 18, 2021

 সু'চিকে ক্ষমতা হস্তান্তরের আহ্বান জাতিসংঘের

Edit
Add Photos/Videos
Edit
Add Photos/Videos
Edit
Add Photos/Videos
Edit
Add Photos/Videos
জেনেভায় জরুরি অধিবেশনে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে দেশটির জান্তা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার রাতে কাউন্সিলের জরুরি অধিবেশনে এ আহ্বান জানানো হয়। সেই সঙ্গে মিয়ানমারে বন্দী ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) সব নেতা–কর্মী ও বিক্ষোভকারীকে মুক্তি দিতে আহ্বান জানিয়েছে কাউন্সিল।

বিক্ষোভকারীগন যখনই বাসনের শব্দ শুনে, তখনই বিক্ষোভে যোগ দেয়। তারা বলছে,গুলি করলেও ভয় পাই না। মিয়ানমারে আজ শনিবারও বিক্ষোভ চলছে। জাতিসংঘের আহ্বানের পর দেশটিতে বিক্ষোভ দমাতে আরও বেশিসংখ্যক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হতে পারে বলে শোনা গেছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের উপপ্রধান নাদা আল-নাশিফ গতকাল জান্তা সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মিয়ানমারের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে বিশ্ব।

মিয়ানমারে আজ জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ জোরালো হয়েছে। দেশটির রাস্তায় কারফিউ ভেঙে বিক্ষোভ করেছেন বিক্ষোভকারীরা। জান্তা সরকার নতুন করে আবার বিক্ষোভকারীদের আটক করতে পারে বলে খবর পাওয়া গেছে। পাথেইন শহরের হাসপাতালে স্থানীয় জনপ্রিয় একজন চিকিৎসককে আটক করা হতে পারে বলে খবর শোনা যায়। এর প্রতিবাদে হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভকারীরা ভিড় করেন। ইয়াঙ্গুনে ভবনের বাইরে এসে বাসনপত্র বাজিয়ে বিক্ষোভ জানান অনেকে। ইয়াঙ্গুনের একজন স্টোরকিপার টিন জার এএফপিকে বলেন, ‘যখনই আমরা বাসনের শব্দ শুনব, তখনই বিক্ষোভে যোগ দেব। তারা গুলি করলেও আমরা ভয় পাই না।’মানবাধিকার পর্যবেক্ষণকারী সংগঠন অ্যাসিসটেন্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনারস বলছে, সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে এ পর্যন্ত মিয়ানমারে ৩২০ জনের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে। মিয়ানমারে জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে কয়েক হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। শান্তিপূর্ণ ওই বিক্ষোভে কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ও রাবার বুলেট ছোড়ে সরকারি বাহিনী। রাজধানী নেপিডোতে পুলিশের গুলিতে কমপক্ষে দুজন আহত হন। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের মধ্যে ২০ বছরের এক নারী নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন। মাওলামাইন শহরে গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা অবস্থান করে বিক্ষোভ করেন। পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ে তাঁদের তুলে দেয়। এ সময় পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেটে আহত হন তিনজন। সেখান থেকে নয়জনকে আটক করে পুলিশ। পরে বিক্ষোভের মুখে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, সরকারি কর্মচারীদের কাজে ফিরতে হবে। দুই সপ্তাহ আগে আটকের পর থেকে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। গ্লোবাল নিউ লাইটের আজকের খবরে জানানো হয়, সরকারি বাহিনী বলেছে, বিক্ষোভকারীরা তাদের দিকে পাথর ছুড়েছেন।
Edit
Add Photos/Videos

 সোনায় মোড়া প্রাসাদ-বিমান, হাজারো গাড়ি

রাজারা সোনার চামচ মুখে দিয়ে জন্মাতেন, সোনার থালায় খেতেন-এ সব কথা অনেক শুনেছেন। কিন্তু সোনার প্রাসাদ! এ বিশ্বে এমন এক রাজা রয়েছেন তিনি বসবাসের জন্য আস্ত সোনার প্রাসাদই বানিয়ে ফেলেছেন। তিনি হলেন ব্রুনেইয়ের সুলতান হাসানল বলকিয়াহ। ১৯৮৪ সালে ব্রিটিশদের হাত থেকে মুক্ত হয় ব্রুনেই। সে বছরই সুলতান হাসানল বলকিয়াহ এই প্রাসাদ গড়ে তুলেছিলেন বসবাসের জন্য।

ওই প্রাসাদের নাম ইস্তানা নুরুল ইমান। তবে বলকিয়াহ রাজ পরিবারে আরও একটি প্রাসাদ রয়েছে। তার নাম হাউস অব বালকিয়াহ। ১৪ শতকে এই প্রাসাদ গড়ে উঠেছিল। কিন্তু তখন রাজপ্রাসাদের নাম হাউস অব বলকিয়াহ ছিল না। ঠিক কবে থেকে এমন নামকরণ হয়েছে তা স্পষ্ট নয় ইতিহাসবিদদের কাছে। অনেকেরই মত, ব্রুনেইয়ের বর্তমান সুলতান হাসানাল বলকিয়াহের নামানুসারে এই প্রাসাদের নামকরণ হয়েছে।
হাসানাল বলকিয়াহ হলেন ব্রুনেইয়ের বর্তমান সুলতান। তিনি ২৯তম সুলতান এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রীও। তবে ইস্তানা নুরুল ইমান প্রাসাদ বানানোর পর হাউস অব বলকিয়াহের জৌলুস কমে গেছে।

সুলতান হাসানাল বিশ্বের সেরা ধনীদের মধ্যে অন্যতম। ২০০৮ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিন অনুসারে তার সম্পত্তির পরিমাণ দুই হাজার কোটি ডলার।
Edit
Add Photos/Videos
রানির সঙ্গে ব্রুনেইয়ের সুলতান

 দুবাই নিয়ে যে তথ্যগুলো আপনাকে চমকে দেবে

সারা বিশ্বে দুবাই পরিচিতি লাভ করেছে উঁচু উঁচু বিল্ডিং, নামী-দামী গাড়ি, বাড়ি এবং তাদের বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য। বিশ্বের অধিকাংশ মানুষের ধারণা দুবাই একটি দেশ। কিন্তু আসল কথা হলো দুবাই কোনো দেশ না। এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি শহরমাত্র। মধ্য প্রাচ্য এবং দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত এই শহরটির এমন অনেক বিষয়ই রয়েছে যেগুলো সাধারণ মানুষের একেবারেই অজানা। এ যেন এক বিস্ময় নগরী চাকচিক্য আর বিলাসিতার অপর নাম দুবাই। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী হচ্ছে আবুধাবি। আর দুবাই বিশ্বের সেরা পাঁচ পর্যটন নগরীর একটি। দুবাইয়ের রাস্তাঘাট খুবই উন্নত। এর জন্য দুবাই এর রাস্তায় আপনি সব সময় দামি অত্যাধুনিক গাড়ি দেখতে পাবেন। যেমন ল্যাম্বরঘিনি, ফেরারি, বিএমডাব্লিউ ইত্যাদি। যেখানে অন্য দেশে ২/১ টা স্টেশন তৈরি করতে বছরের পর বছর পার হয়ে যায় সেখানে দুবাই মাত্র ১৮ মাসে ৪২ টি মেট্রো স্টেশন তৈরি করেছে। দুবাইয়ের ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টটি পৃথিবীর তৃতীয় ব্যস্ততম এয়ারপোর্ট।
আরব সাগরের গা ঘেঁষা এই শহরের একটি তথ্য আপনাকে চমকে দেবে। সেটি হচ্ছে- দুবাই শহরে কোন অপরাধ সংঘটিত হয় না বললেই চলে। জিরো ক্রাইম সিটি হিসেবে দুবাইর রয়েছে দারুন সুনাম। এটিকে পৃথিবীর অন্যতম নিরাপদ শহর মনে করা হয়। তাছাড়া দুবাই এর আইনকানুনও খুব কড়া। ইসলামী আইনের বেশ বাস্তবায়ন আছে। অবশ্য দুবাইয়ের মানুষ নৈতিকভাবেই উত্তম চরিত্রের অধিকারী। আর দুবাইতে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালানো প্রায় অসম্ভব। কারণ, দুবাই পুলিশের ভাঁড়ারে রয়েছে ল্যামবর্ঘিনি, বেন্টলি এবং ফেরারির মতো ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস গাড়ি। গৃহিণীর জন্য ১৫ হাজার মার্কিন ডলারের উপহার কিনতে হবে? হাতে সময়ও নেই? চিন্তিত হওয়ার কিচ্ছু নেই। এই দেশে আছে গোল্ড এটিএম। হ্যাঁ, ঠিক বলেছি সোনা। সেই এটিএম-এ টাকা ঢোকালেই মিলবে দামি গয়না ও সোনার ঘড়ির মতো জিনিস। আপনি যদি পৃথিবীর সবথেকে বৃহৎ আকৃতির স্বর্ণের চেইন দেখতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে দুবাইতে যেতে হবে। এটি ১৯৯৯ সালে প্রায় ৯,০০০ মানুষের মালিকানায় তৈরি করা হয়। এটি লম্বায় প্রায় ৪ কিলোমিটার। এটা সবারই জানা যে পৃথিবীর সবথেকে বড় টাওয়ারগুলো দুবাইতে অবস্থিত। তার মধ্যে সবচেয়ে উঁচু হল বুর্জ খলিফা। এটি উচ্চতায় ২,৭১৭ ফুট লম্বা। এখানেই রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচুতম মসজিদ, রেস্টুরেন্ট, হোটেল-মোটেল ও নাইট ক্লাবসহ নানান ডিপার্টমেন্ট। আরব দুনিয়ার এই দেশের এক শীর্ষ মৌলবির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের উচ্চতম বিল্ডিং বুর্জ খলিফার ৮০ তলার উপরে যাঁরা বাস করেন তাঁদের রমজানের সময় অতিরক্তি ২-৩ মিনিট অপেক্ষা করতে হয় ইফতারের জন্য। কারণ, উঁচুতে সূর্যকে বেশ কিছুক্ষণ দেখতে পান তাঁরা। টাকা খরচ করলে যে পৃথিবীতেও চাঁদ নামিয়ে আনা যায় তা মিডেল ইস্টের দেশগুলোকে না দেখলে বুঝা যেত না। দুবাইতে ২২,৫০০ মিটার জায়গা জুড়ে তৈরি করা হয়েছে আর্টিফিসিয়াল আকাশ। চারদিকে তাঁরায় পরিপূর্ণ এক নয়নাভিরাম অবস্থা। এছাড়াও রয়েছে অতি প্রাকৃতিক একটি স্নো পার্ক। ৩০০০ মিটার জায়গা জুড়ে তৈরি এই পার্কে আপনি ইচ্ছে করলেই ঘুরে বেড়াতে পারবেন মনের আনন্দে। দুবাইতে বাস করতে হলে আরবি শিখতে হবে না। ইংরেজি এই শহরে একটি খুব সাধারণ কথ্য ভাষা।
রিজার্ভে প্রায় ৪ বিলিয়ন ব্যারেল তেল রয়েছে দুবাইএ! এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রিজার্ভ। যদিও এই পরিমাণটি অনেক, তবে পরবর্তী ২০ বছরে এটি শেষ হয়ে যাবে। দুবাই প্রতিদিন ১১২.৫ মিলিয়ন লিটার তেল উৎপাদন করে। এটি ২ কোটি ৯৭ লাখ ১৯ হাজার ৩৫৫ গ্যালন তেল সমান। এ পরিমান তেল ধারণ করতে পাঁচটি অলিম্পিক সুইমিংপুল লাগবে। যা এক প্রকার অবিশ্বাস্য! পৃথিবীতে এমন কোন দেশ পাওয়া দূরহ যেখানে ইনকাম ট্যাক্স দিতে হয় না। দুবাইতে যত খুশি উপার্জন করা যাবে কিন্তু কোন ট্যাক্স দিতে হবে না। এজন্যই দুবাইয়ের মানুষের জন্য বড়লোক হওয়া খুব সহজ কেননা সরকার কোন বাধ্যবাধকতা আরোপ করে না কারো আয়ের উপর। দুবাই কেনাকাটা করার জন্য বিখ্যাত। দুবাই মল বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শপিং সেন্টার। এতে ৫,৪০০,০০০ বর্গফুট এলাকা এবং ১২০০ এর বেশী স্টোর রয়েছে। এখান থেকে আপনি প্রায় সবকিছু কেনাকাটা করতে পারেন। দুবাইএ বিলাসবহুল গাড়ির কবরস্থান আছে। ফেরারী, পোর্শে, জাগুয়ার, অডি, বিএমডব্লিউ এই বিরল গাড়িগুলো পাওয়া যাবে পরিত্যক্ত অবস্থায়। বিস্ময়করভাবে, আপনি এখনও সেই গাড়িগুলোর ইগনিশনে চাবিগুলো ঝুলে আছে দেখবেন।।
দুবাই এ একটি কৃত্রিম দ্বীপ আছে। অবাক হলেন? না, আমি মজা করছি না। এর নাম পাম জুমিরাহ। এটা পারস্য উপসাগরের মধ্যে নির্মিত। এই দ্বীপটি এত বিশাল যে এটি মহাকাশ থেকে দেখা যায়। আপনি হয়তো মনে করেন দুবাইতে অ্যালকোহল কঠোরভাবে নিষিদ্ধ কারণ এটি একটি মুসলিম দেশ। কিন্তু না, যদি আপনি অ্যালকোহল লাইসেন্স পান তবে এই শহরটি আপনাকে পান করতে দেবে। যদিও কর্তৃপক্ষ লাইসেন্সটি সবসময় পরীক্ষা করে না। তাই প্রাপ্তবয়স্ক যে কেঊ এখানে মদ্যপান করতে পারে। শুধু মাতাল হয়ে কোন গন্ডগোল না করলেই হল। না হলে বড় বিপদে পরবেন। আপনি কি কখনও কোন ড্রাইভারহীন ট্যাক্সি ডেকেছেন যা আপনার বাড়ির দোরগোড়ায় আসে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে উড়তে শুরু করে? মনে হয় না। দুবাই এই সেবা চালু করা প্রথম দেশ। এটি মূলত একটি দুই আসন বিশিষ্ট ড্রোন ট্যাক্সি যা যাত্রীকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় আকাশ পথে নিয়ে যাবে। এটা শুনে অবাক হবেন যে, দুবাইয়ে বসবাসকারী জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক ভারতীয় নাগরিক। তথ্যমতে দুবাই শহরে মাত্র ১৭% লোক হল প্রকৃত দুবাইয়ের নাগরিক। আর বাদবাকি সব বহিরাগত। বাংলাদেশেরও অনেক শ্রমিক দুবাইতে রয়েছেন। দুবাইকে বালির শহরও বলা হয়। দুবাইতে প্রচুর পরিমান বালি থাকার কারণে সেখানে উট চলতে দেখা যায়। সেখানকার মানুষ প্রায়ই উঠ দিয়ে যাতায়াত করে। কিন্তু মজার বেপার হলো সেখানে রোবট চালিত উট দেখা যায়। মাঝে মধ্যে উট যখন দিশাহীন হয়ে পরে তখন উটকে সঠিক দিশা দেখাতে এবং শান্ত করতে এই রোবটিকে ব্যবহার করা হয়। ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য দুবাই একটি বিশেষ শহর। তাই অধিকাংশ মানুষ দুবাইয়ে কাজকর্মের জন্য নিজের দেশ থেকে পারি দেয়। আপনি এটা জেনে অবাক হবেন যে দুবাইয়ে মাত্র ২০ শতাংশ জনগণই প্রকৃত পক্ষে দুবাইয়ের বাসিন্দা। আর বাকি ৮০ শতাংশ জনগণই অন্য দেশের। অধিকাংশ মানুষ মনে করেন যে দুবাই এর অর্থনীতি তেলের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু আপনি এটা জেনে অবাক হবেন যে দুবাই এর মাত্র ৭ থেকে ৮ শতাংশ ইনকাম তেল থেকে আসে। আর বাকিটা আসে ব্যবসাবাণিজ্য এবং পর্যটকদের থেকে।
দুবাই এর ধনী ব্যক্তিরা বনের পশুদের পোষ মানতে ভালোবাসেন। সিংহ এবং চিতাবাঘকে তারা নিজেদের সাথে নিয়ে রাস্তায় ঘোরা ফেরা করেন। সেখানকার ধনী বেক্তিরা উদার মনের হয়ে থাকে যার কারণে প্রকৃত অর্থে যারা গরিব তাদেরকে বিনামূল্যে খাবার দেওয়া হয়। পৃথিবীর সবচেয়ে বিল্ডিং বেশি তৈরি করা হয় দুবাইয়ে। এবং প্রচুর পরিমান তেলের খননও করা হয় সেখানে। তাই ধারণা করা হয় পৃথিবীর ২৫ শতাংশ ক্রেন এই দুবাইয়ে ব্যবহার করা হয়।
দুবাই সম্পর্কে যে তথ্যগুলো আপনাকে চমকে দেবে | Dubai Information | Bangla Infotainer