Sunday, February 14, 2021

 

হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখে বিট রস  

হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখে বিট রস

বীটরুট একটি উপাদেয় ফল। আমাদের দেশে ফলটির জনপ্রিয়তা কম হলেও গবেষণায় দেখা গেছে যে বিটের রস পান করলে উচ্চ রক্তচাপ কমে যায়। স্নায়ু কার্যকারিতা উন্নত করতে সহায়তা করে। হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখে। আয়রন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং ফাইটোকেমিক্যালগুলি রক্তকে বিশুদ্ধ করতে সহায়তা করে এবং মস্তিষ্কে অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়িয়ে তোলে।

বিটের খনিজ,নাইট্রিক অক্সাইড,পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। নাইট্রিক অক্সাইড আমাদের দেহের দ্বারা উৎপাদিত একটি অণু যা সারা শরীরের কোষগুলিতে সংকেত স্থানান্তর করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন এই রস খেলে শরীর জুড়ে রক্ত প্রবাহকে আরও উন্নত করতে সহায়তা করে।

জার্নাল অব নিউট্রিশনের গবেষণায় প্রমাণিত হয়, 'প্রতিদিন কমপক্ষে এক গ্লাস বিটের রস রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। যাদের উচ্চ রক্তচাপ ওষুধের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। তারা এক গ্লাস বিট রসের মাধ্যমে তাদের রক্তচাপ কমাতে এবং নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা। বিশেষ করে, ৫৪ থেকে ৮০ বছর বয়সীদের জন্য বিট রস খুব কার্যকর। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ইতিবাচক লক্ষণ পাওয়া গেছে'। 
 
বিটের রস পান করা ছাড়াও এটি স্যুপ, সালাদ বা স্বাস্থ্যকর মিষ্টি হিসাবে খাওয়া যেতে পারে। দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এই উপকারী ফলটি অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

দুধের সঙ্গে রসুন খেলে এত উপকার পাওয়া যায়!

দুধের সঙ্গে রসুন খেলে এত উপকার পাওয়া যায়!

দুধের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সবাই কম-বেশি জানি। সব বয়সীদের জন্যই দুধ একটি উপকারী পানীয়। এটি আমাদের শরীরে শক্তি জোগায়। 

এদিকে রসুনে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। কাঁচা রসুন উচ্চ রক্তচাপ কমাতে দারুণভাবে সাহায্য করে। তাই দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

এছাড়া, দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে তা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া শ্বাসতন্ত্রকে ভালো রাখে। রাতে ঘুমানোর আগে দুধের মধ্যে রসুন দিয়ে খেলে স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো।

অ্যাজমা, কফ, নিউমোনিয়া সমস্যায়: যাদের অ্যাজমা, কফ, নিউমোনিয়ার সমস্যা রয়েছে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে দুধে রসুন মিশিয়ে খেলে সমস্যা দূর হয়।

কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে: দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতেও সাহায্য করে।

জন্ডিসের প্রতিকার: রসুন-দুধ জন্ডিসের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। জন্ডিসে আক্রান্ত হলে দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে উপকার মিলবে।

বাতের ব্যথা কমা: গাঁটে গাঁটে ব্যথা অনেক কমিয়ে দেয় এই রসুন ও দুধ। এমনিতেই গরম দুধ ব্যথা কমায়, সেই সঙ্গে রসুন প্রদাহ থেকে রক্ষা করে। সব মিলিয়ে খুব ভালো উপকার পাওয়া যায়।

অনিদ্রার সমস্যা: হাজার চেষ্টা করলেও রাতে ঠিক করে ঘুম হয় না। এক গ্লাস রসুন-দুধ খেয়ে নিন। সমস্যা দূর দয়ে যাবে। ঘুম আসবে সহজেই।

 

ঘৃতকুমারীর বিস্ময়কর যত গুণ

ঘৃতকুমারীর বিস্ময়কর যত গুণ

শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখতে নিয়মিতভাবে ঘৃতকুমারী বা অ্যালোভেরা গ্রহণ প্রাকৃতিক ওষুধের কাজ করে। অতি স্বল্প মূল্যের মধ্যে হাতের নাগালে ঔষধি এই ভেষজ উদ্ভিদের বিভিন্ন গুনের জন্য পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ  সেবন করে আসছে। বেশ কিছু গবেষণায় প্রমাণ হয়েছে, ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরার যেমন বিকল্প নেই, তেমনি এই প্রাকৃতিক উপাদানটিকে কাজে লাগিয়ে অনেক রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। প্রতিদিন অ্যালোভেরার রস বা জুস পান করলে ত্বক, চুল ও দেহকে পরিশুদ্ধ করে প্রাণবন্ত করে তোলে। 

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যালোভেরা জুস খাওয়া মাত্র সারা শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের প্রভাব বেড়ে যায়, যে কারণে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের পাশাপাশি হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও হ্রাস পায়। ফলে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও দূর হয়।

খাদ্য তালিকায় এই উপাদানটি রাখলে শরীরের যেকোনো চোট-আঘাত লাগলে সেই ক্ষত সারতে সময় লাগবে না। কারণ অ্যালোভেরা জুসে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করা মাত্র যে কোনও ধরনের ক্ষত সারিয়ে তোলে। ক্ষতের উপরে অ্যালোভেরা জেল লাগালেও সমান উপকার পাওয়া যায়।

হরমেনাল সমস্যার স্থায়ী কোনো চিকিৎসা না থাকলেও অ্যালোভেরা দেহের সকল হরমোন নিঃসরণের মাত্রা ঠিক রাখে। প্যানক্রিয়াস সংক্রান্ত নানা রোগের চিকিৎসাতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

নিয়মিত এই প্রকৃতিক উপদানটি খাওয়া শুরু করলে শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতিও দূর হতে থাকে। প্রসঙ্গত, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হল সেই উপাদান, যা আমাদের শরীরকে রোগ মুক্ত রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। অ্যালোভেরা জেল যদি তুলসি, করলা অথবা আমলকির রসের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন, তাহলে আরও বেশি উপকার মেলে।

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এই জুস শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টর পরিমাণ এত বৃদ্ধি করে যে দেহের প্রতিটি কোণায় জমতে থাকা টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যেতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, এই সব টক্সিক উপাদানদের মাত্রা যদি বৃদ্ধি পেতে থাকে, তাহলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। 

নিয়মিত এই প্রকৃতিক উপাদানটি গ্রহণ করলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটা শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটাতে এই ভেষজ উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পর পাচক রসের ক্ষরণ এতটা বাড়িয়ে দেয় যে বদ-হজমের মতো রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে অ্যাসিডিটি এবং কনস্টিপেশনের মতো সমস্যাও কমতে শুরু করে। 

অনেক নারীই অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন। অ্যালোভেরা লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় কারণ এই প্রাকৃতিক উপাদানটিতে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান দেহের ভেতরে প্রবেশ করার পর রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়তে শুরু করে। ফলে অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমে যায়।


Friday, September 21, 2018

ভালোবাসার অভিব্যক্তি

যদি তোমার জন্য নিজেকে বদলে নিতে হয়,
তবে তোমার সাথে অন্য কিছু ভালোবাসা নয়।

যদি তোমার জন্য আমায় হতে হয় স্মার্ট,
কিনতে হয় বিলাস এমবি থেকে দামি দামি শার্ট।
চশমা লাগিয়ে চোঁখে পথে হাঁটতে হয়,
তবে তোমার সাথে অন্য কিছু ভালোবাসা নয়।

যদি তোমায় খাওয়াতে হয় নামকরা রেস্টুরেন্টে,
প্রতি সাপ্তায় নিয়ে যেতে হয় স্পেশাল মার্কেটে।
অাইফোন না দিলে ঝগড়া বেধে রয়,
তবে তোমার সাথে অন্য কিছু ভালোবাসা নয়।

আমার যা আছে তাই নিয়ে মন তোমার কাছে যাবে,
তুমি তা দেখে আমায় ভালোবাসবে,
মনে মনে মিলন হলে আশা বুকে বয়।
তাকেই বলে ভালোবাসা অন্য কিছু নয়।
-----পলাশ দেব নাথ

Saturday, August 11, 2018

খুব সহজেই ইংরেজি শিখুনঃ Learn English

ইংরেজি বাক্য তৈরির সহজ ও গুরুত্বপূর্ণ রুল:
▶ Rule-1: As well as - (সেইসাথে/এটাও...ওটাও)
বাংলা বাক্যে “সেইসাথে/এটাও…ওটাও” বুঝালে As well as ব্যবহার হয়।

Structure: Subject + Verb + As well as + Ext.
Example:
✪ মেয়েটি সুন্দরী এবং সেই সাথে বুদ্ধিমতীও
The girl is beautiful as well as intelligent
✪ সে ইংরেজি বলতে পারে এবং সেই সাথে হিন্দিও বলতে পারে
He can speak in English as well as Hindi.
✪ সে একজন ভালো শিক্ষক ও ভালো লেখকও
He is a good teacher as well as good writer.
▶ Rule-2: Yet to - এখনো কিছু করিনি/করেনি।
বাংলা বাক্যে “এখনো কিছু করেনি” কিন্তু সম্ভাবনা আছে বুঝালে Yet to ব্যবহার হয়।
Structure: Subject + am, is, are + yet to + verb + Ext.
Example:
✪ আমি এখনো কাজটি করিনি - I am yet to do the work.
✪ আমি এখনো বিয়ে করিনি - I am yet to marry.
✪ রুমি এখনো ধুমপান ছাড়েনি - Rumi is yet to give up smoking.

Friday, June 22, 2018

পুঁজিবাজারের উন্নয়নে গৃহীত উদ্দোগ  

বাংলাদেশ ব্যাংকের সিঙ্গেল পার্টি এক্সপোজারের গণনায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় আইসিবির বিনিয়োগ ক্ষমতা কমে গেছে। এজন্য পুঁজিবাজারের উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে দ্বিতীয় দফায় চিঠি দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল আব্দুল মুহিত। গত ১৮ জুন তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে এই চিঠি দেন। এর আগে চলতি বছরের ৩ মার্চ একই ইস্যুতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে চিঠি দিয়েছিলেন তিনি। পুঁজিবাজারের পতন যেন পিছু ছাড়ছে না। কয়েকদিন ভালো যায়, তো আবার পতন। পুঁজিবাজারকে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতার জন্য পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থাৎ অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ (বিএসইসি) একগুচ্ছ প্রস্তাবনা দিয়েছে। পুঁজিবাজারের টানা দরপতনের সময় চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অর্থ সচিব ইউনুসুর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির ও বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বিএসইসির চেয়ারম্যান বলেন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চটগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) ও ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ (ডিবিএ) অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের প্রাপ্ত প্রস্তাবনা গ্রহণ করা হলে পুঁজিবাজারের বর্তমান অস্থিরতা দূর হতে পারে।ডিএসই তথ্য অনুযায়ী, এবারের পতন প্রায় ২২ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। টানা ১৩ কার্যদিবস পতন হয়েছে পুঁজিবাজারের। ফলে বিষয়টি আবারো সামনে চলে এসেছে। পরে দ্বিতীয় দফায় ৩ মার্চ আবারো অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্তের আলোকে ৩ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। ওই চিঠির মেয়াদ কয়েক মাস হলেও কোনো কিছু করেনি বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে দ্বিতীয় দফায় আবারো গত ১৮ জুন চিঠি দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। চিঠিতে তিনি বলেন, ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) পুঁজিবাজারের ক্রান্তিলগ্নে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য গঠন করা হলেও কার্যত প্রতিষ্ঠানটি নিষ্ক্রিয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সিঙ্গেল পার্টি এক্সপোজারের গণনায় নিষ্ক্রিয় আইসিবি। এক্সপোজার সমস্যার কারণে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারছে না আইসিবি। প্রতি মুহূর্তেই সরকারি ব্যাংক আনা টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে আইসিবিকে। ফলে কার্যত নিষ্ক্রিয় ক্রান্তিলগ্নে সাপোর্ট দেওয়া প্রতিষ্ঠানটি। অন্যদিকে বর্তমানে প্রতিটি ব্যাংককে শেয়ার, বন্ড ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডে নিজের বিনিয়োগের পাশাপাশি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের তথ্য দিতে হয়। এর মধ্যে আছে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের নিজের বিনিয়োগ ও গ্রাহকদের দেওয়া মার্জিন ঋণ। আর এর মাধ্যমে কৌশলে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মূলধনকেই এক্সপোজারের মধ্যে নিয়ে আসা হচ্ছে। এতে বাজার একটু গতিশীল হলেই ব্যাংকগুলোকে শেয়ার বিক্রি করে বিনিয়োগের পরিমাণ নির্ধারিত সীমার মধ্যে নিয়ে আসতে হয়। এতে বাজারে বিক্রির চাপ বাড়ে। বাজার অস্থিতিশীল পড়ে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘদিন শেয়ার ধারণ করবে এমনটি সবাই আশা করলেও এই এক্সপোজারের খড়গের কারণে তারা তা পারে না। উল্লেখ্য, বর্তমানে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তার রেগুলেটরি মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে। রেগুলেটরি মূলধনের মধ্যে রয়েছে পরিশোধিত মূলধন, অবণ্টিত মুনাফা, প্রিমিয়াম আয় ও বিধিবদ্ধ সঞ্চিতি। আগে ব্যাংকগুলো তাদের আমানত ও দায়ের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারতো। নতুন নিয়মের কারণে এমনিতে তাদের বিনিয়োগ সক্ষমতা কমে গেছে। তার ওপর এক্সপোজার নির্ধারণে শুভঙ্করের ফাঁকি বিষয়টিকে নাজুক করে তুলেছে। অর্থমন্ত্রীর চিঠিতে বলা হয়েছে প্রথমত, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ (সংশোধিত ২০১৩) বাধ্যবাধকতার বাইরেও নতুন করে ২০১৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সীমা হিসাবায়নের ক্ষেত্রে সমন্বিত ভিত্তি গণনা করার বিষয়টি আরোপিত হয়েছে। এতে বাজারে তারল্য প্রবাহের ক্ষেত্রটি সংকুচিত হয়েছে। এমন অবস্থায় ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৬-এর ক ধারা অনুসারে একক/সলো ভিত্তিতে এক্সপোজার গণনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। দ্বিতীয়ত. ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ (সংশোধিত ২০১৩)-এর ২৬ এর ক ধারায় প্রযোজ্য সব সিকিউরিটিজের বাজার মূল্য অন্তর্ভুক্ত করার বিধান আছে। তবে যেসব সিকিউরিটিজের বাজার মূল্য নেই তাদের অন্তর্ভুক্ত না করা বা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয়, এমন বন্ড ডিবেঞ্চার প্রেফারেন্সিয়াল শেয়ার ও অতালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডকে ব্যাংকের এক্সপোজের হিসাবের বাইরে রাখা। তৃতীয়ত. কৌশলগত বিনিয়োগ, যা পুরো মেয়াদকাল পর্যন্ত ধরে রাখতে হবে এবং যেসব সকিউরিটিজের লেনদেন হয় না, সেসব সিকিউরিটিজকে এক্সপোজার গণনা বাদ দেওয়া। চতুর্থত. পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর এক্সপোজার লিমিট গণনা করার ক্ষেত্রে শেয়ারের বাজার মূল্য অনুযায়ী গণনা না করে ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে গণনা করা। পঞ্চমত, ব্যাংক তার পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট সাবসিডিয়ারিকে প্রদত্ত ঋণের যে অংশ ব্যাংকিং খাতে বিনিয়োগ করে তা পুঁজিবাজারে এক্সপোজার হিসেবে গণনা না করে শুধু উক্ত ঋণের যে অংশ পুঁজিবাজারে বিভিন্ন সিকিউরিটেজে বিনিয়োগ করা হয়; তাই উক্ত ব্যাংকে প্রকৃত পুঁজিবাজার এক্সপোজার হিসেবে গণনা করা এবং সর্বশেষ বলা হয়েছে, আইসিবি বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠান। যা পুঁজিবাজারের প্রয়োজনে সহযোগিতা করে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের সিঙ্গেল পার্টি এক্সপোজারের গণনায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় আইসিবির বিনিয়োগ ক্ষমতা কমে গেছে।

Friday, May 18, 2018

আদর্শ চকোলেট তৈরির রহস্য 

চকোলেট খেতে কে না ভালোবাসে? কিন্তু চকোলেট তৈরি করা মোটেই সহজ নয়। প্রক্রিয়ায় ত্রুটি থাকলে রূপ ও স্বাদ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। একমাত্র বৈজ্ঞানিক জ্ঞান প্রয়োগ করেই আদর্শ চকোলেট তৈরি করা সম্ভব। আদর্শ টফি তৈরির কৌশল আয়ত্ত করা মোটেই সহজ নয়। নানারকম রাসায়নিক, প্রাকৃতিক ও কাঠামোগত সমস্যা চকোলেটের মধ্যে ঘটতে পাওে, যেমন ‘ফ্যাট ব্লুম’। খাদ্য ও বায়োটেকনোলজি ইনস্টিটিউটের লিলিয়া আর্নে বলেন, ‘ফ্যাট ব্লুম হলো টফির ওপর ধূসর বা সাদা স্তর। অন্য চকোলেটের সঙ্গে তুলনা করলেই চোখে পড়বে। টফির মধ্য থেকে ফ্যাট উপরে বেরিয়ে এলে এমনটা হয়। ভেতর থেকে সারফেসের ওপর এসে সেই ফ্যাট ঘনীভূত হয়।’ ডার্ক চকোলেট : প্রতিদিন এক টুকরো ডার্ক চকোলেট খেলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে। অল্প পরিমাণে ডার্ক চকোলেট খাওয়ার অভ্যাস স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে, বলছেন বিজ্ঞানীরা। ‘ফ্যাট ব্লুম’ সমস্যার সমাধান করতে লিলিয়া ‘প্রো-প্রালিন’ নামের এক ইউরোপীয় প্রকল্পের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সেই বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ছোট চকোলেট প্রস্তুতকারকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
যেমন হাঙ্গেরির সামোস মারসিপান কোম্পানি। রফতানি সহকারী এডিনা রোসা বলেন, ‘ইঞ্জিনিয়াররা আমাদের চকোলেটের নমুনা পরীক্ষা করে ল্যাবে বিশ্লেষণ করেছেন, যাতে সত্যিকারের ভালো চকোলেট তৈরি করতে তারা সঠিক প্রক্রিয়া বাতলে দিতে পারেন।’
সেই বিশ্লেষণের পর সামোস কোম্পানি চকোলেট তৈরির প্রক্রিয়ায় নতুন যন্ত্রে বিনিয়োগ করেছেন। টফি তৈরির প্রক্রিয়ায় ‘ফ্যাট ব্লুম’ এড়ানোর চাবিকাঠি হলো সঠিক তাপমাত্রা। এডিনা রোসা বলেন, ‘টেম্পারিং শব্দটির অর্থ হলো, চকোলেট ৪২ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রায় গরম করে তারপর ২৭ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ঠান্ডা করতে হবে। তারপর মিশ্রণের আগে আবার ৩২ ডিগ্রিতে গরম করতে হবে। ঠিকমতো টেম্পারিং প্রক্রিয়া করলে চকোলেট বেশ চকচকে ও মচমচে হবে।’
টফি উৎপাদন প্রক্রিয়া রপ্ত করতে পারলে স্বাদের ক্ষেত্রে আরো নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে যাবে।