Thursday, May 18, 2017

হাওর এলাকা দেখতে গিয়ে আবার রিকশায় চড়লেন প্রধানমন্ত্রী

পাহাড়ি ঢলে অকালবন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকা দেখতে এবং দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে নেত্রকোনার খালিয়াজুরী যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে গিয়ে হেলিকপ্টার থেকে নেমে ডাকবাংলো পর্যন্ত রিকশায় চড়েন তিনি। খুব সামান্য সময়ের জন্য হলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই রিকশাভ্রমণ বেশ আগ্রহের সঙ্গে দেখেছেন কয়েক হাজার নেতাকর্মী ও স্থানীয় মানুষ। কয়েক দিন আগে গোপালগঞ্জে গিয়ে নাতনিদের সঙ্গে অটোভ্যানে চড়েন প্রধানমন্ত্রী। গোপালগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ভ্যানে চড়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়। গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রধামন্ত্রীকে বহনকারী সেই ভ্যানচালক বিমানবাহিনীতে চাকরি পান।
চাকরি আশা করছেন টিপু: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রিকশায় ঘোরানোর পর সরকার প্রধানের কাছ থেকে যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি পাবেন বলে আশা করছেন চালক টিপু সুলতান। এর আগে পৈতৃক এলাকা গোপালগঞ্জে গিয়ে ভ্যানে চড়ার পর সেটির চালক ইমাম শেখকে বঙ্গবন্ধুকন্যা বিমান বাহিনীতে চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ায় নিজের ক্ষেত্রেও একই রকম আশা দেখছেন নেত্রকোনার সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিরা গ্রামের এই যুবক। জেলা প্রশাসন তাকে আগেথেকেই ঠিক করে রেখেছিল জানিয়ে টিপু বলেন, এ জন্য তাকে রিকশাসহ নেত্রকোনা থেকে খালিয়াজুরী নিয়ে যাওয়া হয়। যাত্রা শেষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তাকে তিন হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানান টিপু।
প্রধানমন্ত্রী রিকশায় উঠে তার নাম জিজ্ঞেস করেছেন জানিয়ে টিপু বলেন, ‘লেখাপড়া কতদূর করেছি সে কথাও জানতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আমার রিকশায় ওঠায় আমি খুব খুশি।’ নেত্রকোনা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিরা গ্রামের রিকশা মোকবুল হোসেনের ছেলে টিপু নবম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন। বাবা- মা ছাড়া পাঁচ ভাই ও পাঁচ বোনের সংসারে তিনি দ্বিতীয় সন্তান। বাবা কৃষিকাজ করেন। বড় সংসারের সচ্ছলতার আশায় স্থায়ী একটি চাকরির আশা করা টিপু বলেন, ‘আমার যোগ্যতা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী আমাকে যদি একটা চাকরি দেয় তাহলে আমার সংসারটা ভালো চলবে।’
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টুঙ্গীপাড়ায় গিয়ে যার ভ্যানে চড়েছিলেন, সেই ইমাম শেখ ৩১ জানুয়ারি বিমান বাহিনীতে বেকারির ‘সরবরাহকারী’ হিসেবে অস্থায়ী ভিত্তিতে যোগ দেন।

৫৭ ধারা বাতিল হচ্ছে

অবশেষে আইসিটি এ্যাক্টের বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত ৫৭ ধারা বাতিল করা হচ্ছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, নতুন ডিজিটাল সাইবার সিকিউরিটি আইনে সংশোধিত আকারে এই ধারা সংযুক্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, যেহেতু নতুন আইন তৈরি হচ্ছে এবং ৫৭ ধারায় কিছু কনফিউশন রয়েছে, তাই এর প্রবিধান রাখা হচ্ছে। ৫৭ ধারায় থাকা কনফিউশন দূর করে তা নতুন আইনে সংযোজন করা হবে বলে জানান তিনি। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে জেলা জজদের গাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এই সব তথ্য জানান।
৫৭ ধারার অস্পষ্টতা দূর করে আরো পরিষ্কারভাবে নতুন আইন করা হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আপনারা যাকে বাক স্বাধীনতার জন্য হুমকি বলেন- সে ব্যাপারে যেন কারো মনে কোন দ্বিধা দ্বন্দ্ব না থাকে, কারো মনে যেন কোন প্রশ্ন না থাকে, সে ভাবে পরিষ্কার করে নতুন আইনে সংযুক্ত করা হবে এ ৫৭ ধারা।

এইতো হওয়া উচিত

অ্যাম্বুলেন্স চালিয়ে আহতদের নিয়ে হাসপাতালে এমপি

নিজে অ্যাম্বুলেন্স চালিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের হাসপাতালে নিলেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার। বৃহস্পতিবার বিকেলে কালীগঞ্জ উপজেলার বৈশাখী তেল পাম্প সংলগ্ন এলাকায় এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তিনজন নিহত ও ৩০ জন আহত হন। এরমধ্যে দশজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ সময় উদ্ধার কাজে অংশ নেন ওই সংসদ সদস্য।
নিহত তিনজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। আহতরা হলেন- প্রীতিদাস(১০), আ. রাজ্জাক(৩০), রোজিনা(২৭), স্বপ্না(২৮), সবুজ(১৯), মোযা(২০), হাবিবুর(১০), জালাল উদ্দিন(৫০), তোফাজ্জেল(৫০), মনোয়ার হোসেন(৪৫), আনোয়ার(৩৫), পংকজ দাস(৪৭), আজাদ(৩৫), শংকর(৩৫), রিতা(৪৫), শিলা(২৪), মেহেরবানু(৪৫), ময়না(৫০), শাহিদা(৩৫), চন্দনা(১০), মুন্নী(৪০), জোছনা(২৯), আমেনাসহ(৩৫) মোট ৩০ জন।
যশোর থেকে কালীগঞ্জগামী শাপলা পরিবহনের সোনালী লিখন নামের একটি বাস(পাবনা-বা-১১-০০৭৮) দ্রুত গতিতে চলার কারণে নিয়ন্ত্রণ হারায়। এ সময় বাসটি একজন সাইকেল আরোহীকে চাপা দিয়ে পাশের একটি কড়াইগাছে ধাক্কা মারে।দুর্ঘটনায় গুরুতর আহতদের যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা তিনজন মারা যান। উদ্ধার কাজে স্থানীয় জনতা ও কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসকর্মীদের সঙ্গে অংশ নেন স্থানীয় সাংসদ আনোয়ারুল আজীম আনার। তিনি নিজে অ্যাম্বুলেন্স চালিয়ে গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কালীগঞ্জ থেকে যশোর হাসপাতালে নিয়ে যান।
কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মকর্তা টিএইচএস প্রফুল্ল কুমার মজুমদার জানান, হাসপাতালে প্রায় ৩০ জনকে আনা হয়। এরমধ্যে দশজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Sunday, May 14, 2017

নিরাপত্তাহীনতায় কম্পিউটার!

এতদিন শুনেছি, মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে মানুষকে জিম্মি করে। আর এখন ইন্টারনেটকে ম্যাল্ওয়্যার করে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ চাইছে হ্যাকাররা। ঘটনাটি ঘটেছে ইউরোপ, ল্যাতিন আমেরিকা ও এশিয়াজুড়ে। মুক্তিপণের টাকা না পেলে হ্যাকাররা বিশ্বের কোটি কোটি কম্পিউটার অকেজো করে দেবে। বিশ্বের ১০০টি দেশ এই হামলার শিকার হয়েছে। এবারকার এই হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যসেবা সংস্থা। মুক্তিপণ না দিলে কম্পিউটারের সবকিছুই গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে হ্যাকাররা। 
একসময় কম্পিউটার ছিল স্বপ্নের ডানাকাটা পরী। এখন তা অনেকটাই ডাইনির মতো। ইন্টারনেটকে গ্রহণ করা বা নেওয়া এবং তা ফেরত দেওয়ার কর্মটিই মূলত কম্পিউটার অথবা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে করা হয়। আজকের বাস্তবতায় সেই ইন্টারনেট ব্যবস্থাপনায় দেখা দিয়েছে মহাদুর্যোগ। বিশ্বজুড়ে চলছে সাইবার হামলা এবং মুক্তিপণ আদায়ের আগ্রাসী কৌশল। দক্ষিণ কোরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ইনফরমেশন সিকিউরিটির অধ্যাপক লিম জং-ইন বলেছেন, হ্যাকাররা যদি ব্যাংক এবং বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন গণ-অবকাঠামোর ওপর হামলা শুরু করে, তাহলে বিশ্বের জন্য এটা হবে ভয়ংকর লঙ্কাকা-, যা দুটি দেশকে সাইবারযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
হ্যাকাররা সাধারণত দুইভাবে এই হামলা পরিচালনা করে থাকে। প্রথমত, বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে এর সৌন্দর্যহানির মধ্য দিয়ে। এতে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের অ্যাপিয়ারেন্স বদলে যায়। ফলে ওয়েবসাইটটির নিয়মিত ট্রাফিক আশঙ্কাজনক হারে কমে যায়। এছাড়া অন্য একটি উপায়ে হামলা চালানো হয়, যাকে ‘ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনাই্য়াল অব সার্ভিস’ (ডিডস) নামে অভিহিত করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন অনলাইন সার্ভিসের প্রাপ্যতায় ব্যাঘাত ঘটানো হয়। তবে এখানে একটি বিষয় উল্লেখ না করলেই নয় যে, বস্তুর বিকাশের প্রতিটি ক্ষেত্রে ভালো এবং খারাপের; অথবা বলা যায়, পজিটিভ ও নেগেটিভের দ্বন্দ্ব-সংঘাতের ভেতর দিয়েই হয়ে থাকে। ইন্টারনেটের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হওয়ার কোনো কারণ নেই। অন্য সবার মতো ইন্টারনেটেরও দুটি দিক আছে, যার একটি হলো গঠনমূলক এবং অপরটি ধ্বংসাত্মক। গঠনমূলক দিকটি সবাইকে সমৃদ্ধ করবে। অন্যটি নিজেকে, সমাজকে, রাষ্ট্র, জাতি ও বিশ্ব সমাজব্যবস্থাকে ধ্বংসের শেষ সীমায় নিয়ে দাঁড় করাবে। এর আলামত অথবা নমুনা ইতোমধ্যে আমরা হাতেনাতে পেতে শুরু করেছি। তবু বলতে হয়, আমাদের জ্ঞানের পরিধিকে প্রসারিত করার জন্য ইন্টারনেটের যথাযথ ব্যবহার প্রয়োজন।
আমরা মনে করি, এই হামলা এখানেই শেষ নয়, আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। সুতরাং একে মোকাবিলা করাটাই এখন জরুরি। আর এ কারণেই দেশে দেশে অস্ত্রের ঝনঝনানি বন্ধ করে বিশ্বের মানব সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধভাবে হ্যাকারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। নিজেদের মাঝে হানহানি বন্ধ করে দাঁড়াতে হবে হ্যাকারদের বিরুদ্ধে। অন্যথায় মানুষের হাতেই ধ্বংস হবে সুন্দর এই পৃথিবী।

শেখ রেহানার সঙ্গে ছবি: প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি থেকে বহিস্কার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র বিএনপি নেতা সাক্কুর সালাম ও তার পিঠে শেখ হাসিনার হাত বুলিয়ে দেয়ার ঘটনার প্রশংসায় যখন দেশবাসী পঞ্চমুখ তখন যুক্তরাজ্যে ঘটলো উল্টো ঘটনা। ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানার সঙ্গে ছবি আসার পর যুক্তরাজ্য বিএনপির একজনকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
ওই নেতা বিএনপির পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে টিউলিপের মতই লেবার পার্টির সঙ্গে জড়িত। আর লেবার পার্টির প্রার্থী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকীর হয়ে নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছিলেন যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ শামীম। সেখানে ছিলেন শেখ রেহানাও। এ সময় রেহানার পাশে দাঁড়ানো শামীমের ছবি তোলা হয়। ছবিটি পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া হয়। এরপর শামীমকে বিএনপি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। এই সিদ্ধান্তকে তিনি সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক বলছেন।
শামসুদ্দিন বলছেন, বাংলাদেশ আর ব্রিটেনের রাজনীতি এক নয়। ব্রিটেনে তিনি লেবার পার্টির সদস্য হিসেবে টিউলিপকে সমর্থন করতেই পারেন। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, বাংলাদেশে তিনি বিএনপি করেন না।
শেখ রেহেনার মেয়ে লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ সিদ্দিকী এবার দ্বিতীয়বারের মত পার্লামেন্ট নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন। তার পক্ষে বাঙালিদের মধ্যে আছেন বিএনপির যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ শামীমও।
কিন্তু শামীমের এই অবস্থান পছন্দ হচ্ছে না যুক্তরাজ্য বিএনপির। বিএনপির যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি এম এ মালিক ও সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমেদ শামীমকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেন। 

রেইনট্রি হোটেলে অভিযান:আপন জুয়েলার্সের শোরুম সিলগালা

রাজধানীর বনানীর ‘দ্য রেইনট্রি’ হোটেলে অভিযান চালিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দারা। রোববার শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়। এদিকে গুলশানে সুবাস্তু টাওয়ারে আপন জুয়েলার্সের বিক্রয়কেন্দ্র সিলগালা করে দিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। শুল্ক গোয়েন্দা ডার্টি মানির অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে আপন জুয়েলার্সের গুলশান, উত্তরা, মৌচাক ও সীমান্ত স্কোয়ারে পাঁচটি বিক্রয়কেন্দ্রে অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ ভ্যাটের কর্মকর্তা ও র‌্যাব সদস্যরা রয়েছেন।
শুল্ক গোয়েন্দারা জানান, ‘দ্য রেইনট্রি’ হোটেলে অভিযান চলছে। হোটেলের একটি কক্ষে ১০ বোতল মদ পাওয়া গেছে। হোটেলের প্রতিটি কক্ষে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। গত ২৮ মার্চ ‘দ্য রেইনট্রি’ হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে ৬ মে বনানী থানায় মামলা হয়েছে।
মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে শাফাত আহমেদ ও রেগনাম গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে সাদমান সাকিফ গত বৃহস্পতিবার সিলেটে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাদের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে বনানীর এই রেস্টুরেন্টে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত পাঁচ আসামির একজন আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদ।
মাসখানেক আগের এ ঘটনায় মামলার হওয়ার পর সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। আলোচিত এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর সাফাত আহমেদের ব্যক্তিগত জীবনযাপন তার বাবার ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়েও নানা অজানা তথ্য বেরিয়ে আসে।
আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ ও তার ছেলে শাফাত আহমেদের ডার্টি মানির তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশের পর শুল্ক গোয়েন্দার পক্ষ থেকে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার রাতে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর থেকে দিলদার ও শাফাত আহমেদের ব্যাংক হিসাব চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
গেলো ২৮ মার্চ ২ তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। ৬ মে বনানী থানায় তারা একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ৫ জনকে আসামি করা হয়। এরা হলেন সাফাত আহমদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।

Friday, May 12, 2017

যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংসে উত্তর কোরিয়ার 

মহাকাশ যুদ্ধের প্রস্তুতি

যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়া যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। আর তারই জের ধরে এবার মহাকাশ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে উত্তর কোরিয়া। নিজেদের শক্তিকে আরও বাড়িয়ে তুলছে দেশটি। মার্কিনি বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইলেকট্রনিক প্লাস হাতিয়ার (ইএমপি স্ট্রাইক) দিয়ে হামলা করতে পারে উত্তর কোরিয়া। এর জন্য ইতোমধ্যে প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গেছে।
জানা গেছে, উত্তর কোরিয়া দু'টি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নজরদারি করে চলেছে। এই দুটি স্যাটেলাইট ২০১২ এবং ২০১৬ সালে চালু করা হয়েছিল। উত্তর কোরিয়ার কেএমএস৩-২ এবং কেএমএস-৪ নামক স্যাটেলাইট মাত্র ৯৪ মিনিটে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করতে সক্ষম। পাশাপাশি, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সাইবার হামলা করতে পারে।  
এদিকে, উত্তর কোরিয়া যে হামলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত তা একপ্রকার নিশ্চিত যুক্তরাষ্ট্র। স্থলপথের পাশাপাশি মহাকাশ পথেও যে যুক্তরাষ্ট্রকে কোনো ছাড় দেবে না উত্তর কোরিয়া সে বার্তাও উত্তর কোরিয়া থেকে পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।